
নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রামেও ফুরিয়ে আসছে করোনা ভ্যাকসিনের মজুদ। নতুন করে কোনো চালান না আসায় ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হতে পারে প্রায় ১ লাখ টিকা গ্রহীতা।
তাছাড়া যে মজুদ রয়েছে তা দিয়ে চলতে পারে মাত্র এক সপ্তাহ বা তারও কম সময়। নতুন করে টিকা না আসলে ভ্যাকসিন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামে ভ্যাকসিনের মজুদ রয়েছে ১১ হাজার ২০২ ভায়াল বা ১ লাখ ১২ হাজার ২০ ডোজ। এরমধ্যে ১৪ উপজেলায় মজুদের পরিমাণ ৫৩ হাজার ৭০০ এবং মহানগর এলাকায় ৫৮ হাজার ৩২০ ডোজ। এছাড়া প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহীতার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৭৬০ জন এবং এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ২ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ জন। সে হিসেবে এখনও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৬ জন। যেহেতু ভ্যাকসিনের মজুদ রয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০ ডোজ। ফলে আরও ১ লাখ ৩২ হাজার ৮১৬ জন মানুষ ভ্যাকসিন বঞ্চিত থাকবেন।
গত এক সপ্তাহের হিসেব অনুযায়ী, ২৫ এপ্রিল করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ১৮ হাজার ৪৫১ জন, ২৪ এপ্রিল ১৯ হাজার ৯৪ জন, ২২ এপ্রিল ১৫ হাজার ৮০৫ জন, ২১ এপ্রিল ১৩ হাজার ৮০৪ জন, ২০ এপ্রিল ১৭ হাজার ৪৭০ জন, ১৯ এপ্রিল ১১ হাজার ৪ জন এবং ১৮ এপ্রিল ১৯ হাজার ৮৮৫ জন। গত এক সপ্তাহে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৫১৩ জন করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। সে হিসেবে দৈনিক গড়ে ১৬ হাজার ৫০১ জন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। দৈনিক গড়ে ১৬ হাজার মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে আগামি এক সপ্তাহ পরে ভ্যাকসিনের মজুদ শেষ হয়ে যেতে পারে।

সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, আমাদের কাছে যতক্ষণ ভ্যাকসিন থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কার্যক্রম চালিয়ে যাবো। যা মজুদ আছে তা দিয়ে সম্ভবত সপ্তাহখানেক চালিয়ে নেওয়া যাবে। আশা করছি মজুদ শেষ হওয়ার আগেই আমরা নতুন ভ্যাকসিন পেয়ে যাবো।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক চট্টগ্রাম ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, সরকার করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রেখেছে। যা মজুদ আছে তা-ই দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
নতুন করে ভ্যাকসিনের কোনো চালান আসার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে ডা. শাহরিয়ার কবীর বলেন, এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। যদি এর মধ্যে কোনো ভ্যাকসিনের চালান আসে তা বিভিন্ন জেলায় আনুপাতিক হারে বন্টন করে দিবো। বাংলানিউজ
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner