Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সীতাকুন্ডের রোগটি ছোঁয়াছে নয় : আতঙ্কের কিছু নেই

সীতাকুন্ডের রোগটি ছোঁয়াছে নয় : আতঙ্কের কিছু নেই

image_printপ্রিন্ট করুন

ctg-6

নিউজ ডেক্স : সীতাকুন্ডের সোনাইছড়ি ত্রিপুরা পাড়ায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া অসুস্থতা ছোঁয়াছে নয় বলে জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ‘ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন রোগটি ছোঁয়াছে নয়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। প্রাথমিকভাবে উনারা ধারণা করছেন দীর্ঘ দিনের অপুষ্টিহীনতার কারণে শিশুরা এ ধরণের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এই রোগের প্রকৃত কারণ রক্তের নমুনা বিশ্লেষণ করলে জানা যাবে।’

সিভিল সার্জন আরও জানান, ‘রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডাক্তাররা ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস অ্যান্ড ডিজিজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে গিয়েছেন। তারা সেখানে ভর্তি হওয়া আক্রান্ত শিশুদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছেন।

এছাড়া তাদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে রোগের লক্ষণ সর্ম্পকে অবহিত হয়েছেন। বেলা ১১টার দিকে আমরা চমেক হাসপাতালে এসেছি, এখানে যারা চিকিৎসা তাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তারপর উনারা ত্রিপুরা পাড়ায় যাবেন।’

অজ্ঞাত রোগে সোনাইছড়ি ত্রিপুরা পাড়ার ৯ শিশু মারা যাওয়ার খবর পেয়ে বুধবার রাতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল চট্টগ্রামে আসেন।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ত্রিপুরা পাড়ায় ৫৭টি পরিবার বসবাস করে। গত শনিবার থেকে এই পাড়ায় আকস্মিকভাবে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মারা যেতে থাকে। এর মধ্যে বুধবার একদিনেই মারা যায় ৪ শিশু। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলো তাকিপাত ত্রিপুরা (১২), জানিয়া ত্রিপুরা (৫), প্রকাতি ত্রিপুরা (৬), রমাপতি ত্রিপুরা (৯), কানাইয়া ত্রিপুরা (২), রূপালী ত্রিপুরা (৩), কসমরাই ত্রিপুরা (৮), শিমুল ত্রিপুরা (২) ও হৃদয় ত্রিপুরা (৮)।

রূপালী ত্রিপুরার বাবা সুমন ত্রিপুরা জানান, তার মেয়ে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হয়। আমরা এটিকে স্বাভাবিক জ্বর হিসেবেই ধরে নিয়েছিলাম। রূপালীর প্রথমে সর্দির মতো হয়। তারপর গায়ে ছোট ছোট গোটার মত দেখা যায়। এর পর একদিনের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে সে মারা যায়। আক্রান্ত হওয়ার তিনদিনের মধ্যেই রূপালী মারা গেছে।

-সিটিজি টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!