Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | ইসরায়েল-আমিরাতের ‘ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির’ ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

ইসরায়েল-আমিরাতের ‘ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির’ ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

image_printপ্রিন্ট করুন

আন্তর্জাতিক ডেক্স : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।

বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইসরায়েলের এ চুক্তির তথ্য এক টুইট বার্তায় দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চুক্তির মাধ্যমে পশ্চিম তীরের যেসব এলাকায় সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের আলোচনা করছিল তা স্থগিত করতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েল এবং আরব আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এই শান্তি চুক্তির আলোচনা চালিয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র; সম্প্রতি এই আলোচনায় গতি পায় বলে হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনার ফল এই শান্তি চুক্তি; যা সম্প্রতি গতি পায়।

বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আবু ধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনায় এই চুক্তি নিশ্চিত হয়।

টেলিফোনে আলোচনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটে বলেন, ‘আজকের বিশাল সফলতা! আমাদের মহান দুই বন্ধু ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি হয়েছে।’

১৯৯৪ সালে ইসরায়েল এবং জর্ডানের স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির আলোকে নতুন এই চুক্তির নামকরণ আব্রাহাম চুক্তি করা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটে পুনরায় নির্বাচিত হতে চাওয়া ট্রাম্পের জন্য এই চুক্তিকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিশাল সফলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জেরার্ড কুশনার, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রায়েডম্যান এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূরত আভি বারকোউইৎজ এই চুক্তির আলোচনায় নিবিড়ভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

যৌথ এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন রাষ্ট্রনেতা ইসরায়েল এবং আমিরাতের কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে সম্মত হয়েছেন।

‌‘ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা শিগগিরই বিনিয়োগ, পর্যটন, সরাসরি বিমান চলাচল, নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ ও অন্যান্য বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য বৈঠক করবেন।’

এছাড়াও শিগগিরই উভয় দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও দূতাবাস স্থাপন করা হবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!