
নিউজ ডেক্স : সাতকানিয়ায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর সাঙ্গু নদীতে ভাসমান অবস্থায় এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃদ্ধটির নাম মুন্সি মিয়া (৭২)।
তিনি গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। আজ রবিবার (২ জুলািই) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাঙ্গু নদীর চরতি ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

মুন্সি মিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জনার কেঁওচিয়া বাঁচা বলির বাড়ি এলাকার মৃত বদিউর রহমানের ছেলে।
মুন্সি মিয়ার ভাতিজা ডাক বিভাগের কর্মকর্তা মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, “আমার জেঠা মুন্সি মিয়াকে কোরবানির দিন জোহরের নামাজের পর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সব জায়জায় খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু কোথাও সন্ধান মিলেনি। আজ বিকালে সাঙ্গু নদীর চরতি ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকায় ভাসমান লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে আমার জেঠাতো ভাই সেখানে যান এবং বাবার লাশ শনাক্ত করেন।”
তিনি আরো বলেন, “গত এক বছর ধরে আমার জেঠা মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিলেন। ইতিপূর্বে একাধিকবার নিখোঁজ হয়েছিলেন। ওই সময় নিখোঁজের কয়েকদিন পর পুনরায় বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন।”
চরতি ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোস্তফা জানান, ইউনিয়নের দ্বীপ চরতি এলাকায় সাঙ্গু নদীতে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাতকানিয়া থানা পুলিশ সাঙ্গু নদীর দ্বীপ চরতি এলাকায় ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে বৃদ্ধের ছেলে ঘটনাস্থলে এসে বাবার লাশ শনাক্ত করেন।
তিনি বলেন, “লাশটি উজান থেকে ভেসে এসেছে। ভেসে আরো নিচের দিকে চলে গিয়েছিল। চরতির ব্রাক্ষ্মনডেঙ্গা বেলালের ঘাট এলাকায়ও লাশটি ভাসতে দেখা গিয়েছিল বলে শুনেছি। জোয়ারের সময় আবার দ্বীপ চরতি এলাকায় চলে আসে।”
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত জানান, সাঙ্গু নদীতে ভাসমান অবস্থায় বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। -আজাদী অনলাইন
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner