
ধর্ম ডেস্ক : ইবাদতের উদ্দেশ্যে যে কোনো আমলেই আল্লাহ তাআলা ছাওয়াব দান করেন। মুমিন মুসলমানের জন্য অজু সহজ একটি আমল। যখন কোনো ব্যক্তি ইবাদত-বন্দেগির নিয়তে অজু করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে অজুর বিনিময়ে ছাওয়াব দান করবেন।
অজুর পরে কালেমা শাহাদাত পড়াও একটি স্বতন্ত্র আমল। আর কালেমা শাহাদাত পড়া মোস্তাহাব। অজু করার পর যে ব্যক্তি কালেমায়ে শাহাদাত পড়বে তার জন্য জান্নাতের ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অজু করার পর বলবে (কালেমা শাহাদাত)-

উচ্চারণ : ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসুলুহু।’
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে. আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। তিনি এক এবং একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। আমি আরো সাক্ষী দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও প্রেরিত রাসুল।
ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। (মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘কালেমা শাহাদাত পড়ার সময় আসমানের দিকে তাকানোর কথাও রয়েছে।’ (আবু দাউদ)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জান্নাত লাভের সহজ আমল অজু করার পর কালেমা শাহাদাত পড়ার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর বিধি-বিধান যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner