Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সিআরবিতে অনুমোদনহীন স্থাপনা হলে ব্যবস্থা : সিডিএ চেয়ারম্যান

সিআরবিতে অনুমোদনহীন স্থাপনা হলে ব্যবস্থা : সিডিএ চেয়ারম্যান

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : সিডিএ ঘোষিত ‘হেরিটেজ জোন’ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ। তিনি বলেছেন, সিআরবিতে কেউ অনুমোদনবিহীন স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (২ আগস্ট) সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠন নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ এ কথা বলেন। বাংলানিউজ

সিআরবিতে অনুমোদনবিহীন হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প বন্ধ করতে সিডিএ চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রাম। নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য প্রফেসর ড. অনুপম সেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দুপুর ১২টায় সিডিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যান।  

প্রতিনিধি দলে ছিলেন নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব প্রবীণ আইনজীবী ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, কো-চেয়ারম্যান রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুচ, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, যুগ্ম সদস্যসচিব আবৃত্তি শিল্পী রাশেদ হাসান, কার্যকরী সদস্য চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, স্বপন মজুমদার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শুকলাল দাশ, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম মুন্না প্রমুখ।  

সিডিএর পক্ষ থেকে চিফ ইঞ্জিনিয়ার শাহীন উল ইসলাম খানসহ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন শাহ্, কেবিএম শাজাহান, এমআর আজিম উপস্থিত ছিলেন।  

এ সময় নাগরিক সমাজ চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, যথাযথ উদ্যোগের অভাবে পৃথিবীর অন্যতম নান্দনিক শহর চট্টগ্রামের সবুজ স্থান বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সিআরবিকে চট্টগ্রামবাসী হৃদয়ে ধারণ করেন। যেকোনো উপায়ে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করতে হবে।  

লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, চট্টগ্রাম শহরে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণে সিডিএর অনুমোদনের প্রয়োজন। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেউই সিডিএর কোনো অনুমোদন নেয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠান হোক কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেউ অনুমোদনবিহীন স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি অবশ্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!