ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | লোহাগাড়ায় মহাসড়কে টোকেনে চলছে সিএনজি অটোরিক্সা

লোহাগাড়ায় মহাসড়কে টোকেনে চলছে সিএনজি অটোরিক্সা

105

এলনিউজ২৪ডটকম : ২০১৫ সালের ১ আগষ্ট থেকে মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয় হতে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ করা হলেও লোহাগাড়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া টোকেনে লোহাগাড়ায় মহাসড়কে চলছে সিএনজি অটোরিক্সা।

জানা গেছে, মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ধীরগতির ও তিন চাকার গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়। শুরুতে মহাসড়কে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল না করার জন্য পুলিশ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করলেও কয়েকদিন পর বন্ধ হয়ে যায় সেই অভিযান। মহাসড়কে এখন আগের মতোই চলছে সিএনজি অটোরিক্সা। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।

এসব সিএনজি অটোরিক্সাগুলো মাসিক দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা মাশুহারায় মহাসড়কে চলে। লোহাগাড়ার  প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল, সাংবাদিক ও ট্রাফিক পুলিশের নির্দ্দিষ্ট করে দেয়া বিশেষ সংকেত (চিহ্ন) ব্যবহার করে সিএনজি অটোরিক্সাগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কারণে প্রতিমাসে সিএনজি অটো রিক্সায় অর্ধকোটি টাকার টোকেন বাণিজ্য হচ্ছে। সবাই জেনেও যেন না জানার ভান করছে।

গাড়ির কাগজপত্র বা বৈধতা থাক বা না থাক ট্রাফিক পুলিশদের ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য সংকেত (চিহ্ন) ব্যবহার করেই এসব গাড়ী চলাচল করে থাকে বলে জানিয়েছেন একাধিক সিএনজি অটোচালক। এ সংকেত বা চিহ্ন থাকলে ট্রাফিক মামলা হয় না। অন্যথায় মামলাসহ মোটা অংকের জরিমানা হয়।

এ ভয়ে মাসিক  সিএনজি অটোরিক্সা প্রতি দুই হাজার টাকা দিয়ে টোকেনসহ এ চিহ্ন নেয় চালকরা। আর এ সব টোকেন ও চিহ্ন নিতে হয় কিছু প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, কিছু তথা কতিথ সাংবাদিক ও লোহাগাড়া ট্রাফিক পুলিশ হতে। এ সব কথা জানিয়েছেন একাধিক সিএনজি অটোরিক্সা চালক। সরেজমিনে দেখা যায়,  সংকেত (চিহ্ন)গুলো হচ্ছে মা পরিবহন, ইংরেজিতে লিখা এম এ, এন বি, টি আর এক্স, এ আর, জি পি, এস ও, এইচ জেড, জে এ, জেড ও প্লাস, মোবাইল নং লাস্ট থ্রি সেভেন ফাইভ, এইচ, বি এল, মাইনাস সিক্স জিরো, এ এ, এল এম এস, এল এস এস, কে জিরো জিরো চিহ্নিত গাড়ী বেশী চলাচল করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি-অটোরিক্সা চালক জানান, আমরা প্রতি মাসে টোকেন না নিলে পুলিশ আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনসহ নানা ভাবে হয়রানী করে। আর টোকেন নিলে পুলিশ সড়কে গাড়ি ধরার সময় এসব কাগজপত্র খুঁজে না এমনিতে গাড়ি ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে লোহাগাড়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (টিআই) মুজিবুল হক সংবাদিকদের কোন সুদোত্তর দিতে পারেনি।

biman-ad

মহাসড়কে বেপরোয়া সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ ও টোকেন ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!