Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়িতে ৩৩ দিন পর যান চলাচল শুরু

রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়িতে ৩৩ দিন পর যান চলাচল শুরু

image_printপ্রিন্ট করুন

Rangamati-Khagrachari-(1)-20170716210000

নিউজ ডেক্স : যোগাযোগ বন্ধ থাকার ৩৩ দিনের মাথায় রাঙ্গামাটি-মানিকছড়ি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কে হালকা যান চলাচল শুরু হয়েছে। এতদিন সড়কটির মেরামত কাজ চলে আসছে।

রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কমল টানা দীর্ঘ এক মাসের অধিক সময় ধরে চলা জনদুর্ভোগ।

ফলে স্বস্তি ফিরছে এলাকাবাসীর। ভারি যান চলাচলে উপযোগী করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

রাঙ্গামাটিতে গত ১৩ জুনের ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় সড়কজুড়ে বিভিন্ন অংশে বিধ্বস্ত হওয়ায় সড়কটিতে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। সড়কে ধসে পড়া মাটি অপসারণসহ বিধ্বস্ত হওয়া বিচ্ছিন্ন অংশে ভরাট ও মেরামত কাজ করার পর হালকা যান চলাচল খুলে দিয়েছে রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

রোববার বিকেলে রাঙ্গামাটি সদরের কুতুকছড়ির কিচিংপাড়ায় ভরাট করা সড়কের ১৬তম স্থান দিয়ে গাড়ি পার করে হালকা যান চলাচল উদ্বোধন করেন সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার। এ সময় রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদ হোসেনসহ বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু মুসা বলেন, ১৩ জুনের পাহাড়ধসের ঘটনায় বিভিন্ন অংশে বিধ্বস্ত হওয়ায় সড়কটি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এতদিন অনেক কষ্টে টানা মেরামত কাজ করার পর আপাতত হালকা যান চলাচলে উপযোগী করা সম্ভব হয়েছে। সড়কটির কিচিংপাড়ায় বিচ্ছিন্ন অংশে ৪০ মিটার বিধ্বস্ত রাস্তায় ভরাট করে তা মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ হালকা যান চলাচল উপযোগী করা হয়েছে। ভারি যান চলাচল করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সড়কের আরও অনেক স্থানে মেরামত কাজ করা হচ্ছে।

রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, পাহাড়ধসে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাঙ্গামাটি-মানিকছড়ি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের ৮ কিলোমিটার স্থানে কুতুকছড়ি খামারপাড়া হতে কিচিংপাড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার বিধ্বস্ত রাস্তায় মেরামত কাজ চলছে। এতে আপাতত সড়কে হালকা যান চলাচল করতে পারবে।

তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি-মানিকছড়ি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫টি স্থানে মারাত্মক ধস হয়েছে। তার মধ্যে সাপছড়ি ইউনিয়নের মানিকছড়ির পর থেকে কুতুকছড়ি ইউনিয়নের খামারপাড়া ও কিচিংপাড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা ভেঙে খাদে বিলীন হয়ে যায়।

এছাড়া সড়কটির আরও অনেক স্থানে ভেঙে রাস্তা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এতে সড়ক দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার মানুষ। হালকা যান চলাচল শুরু হওয়ায় দুর্ভোগ কমে আসবে। ভারি যান চলাচল উপযোগী করতে কাজ চলছে বলেও জানান সড়ক ও জনপথ বিভাগের এই কর্মকর্তা।

-জাগো নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!