Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চট্টগ্রামের ২৪ ইটভাটা উচ্ছেদে বাধা নেই

চট্টগ্রামের ২৪ ইটভাটা উচ্ছেদে বাধা নেই

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম জেলার ২৪টি ইটভাটা উচ্ছেদে সময় দিয়ে হাই কোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।পরিবেশ অধিদপ্তরের আবেদনের শুনানি করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত এ আদেশ দেয়। ফলে এ ২৪টি ইটভাটা উচ্ছেদে কোনো বাধা থাকছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট এক আইনজীবী।

এসব ইটাভাটা চট্টগ্রাম সদরসহ জেলার সাতকানিয়া, লোহাগড়া, চান্দগাঁও ও চন্দনাইশ উপজেলায় অবস্থিত। আদালতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ কামরুল হোসেন কিরণ ও মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ। খবর বিডিনিউজের।

মনজিল মোরশেদ বলেন, সমপ্রতি চট্টগ্রামের ২৪টি ইটভাটার মালিক হাইকোর্ট ও চেম্বার আদালতের আদেশের তথ্য গোপন করে পুনরায় হাইকোর্টে আটটি রিট মামলা দায়ের করেন। এসব আবেদনে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত চাওয়া হয়। “সেসব রিটের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাই কোর্ট বেঞ্চ গত ২২ মার্চ আদেশ দেন। আদেশে ইটভাটাগুলোকে ৪৫ দিন সময় দিয়ে এর মধ্যে উচ্ছেদ না করার নির্দেশ দেয়া হয়,” বলে জানান এই আইনজীবী। হাই কোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে গত সপ্তাহে চেম্বার আদালতে আবেদন করে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মনজিল মোরশেদ বলেন, “ চেম্বার আদালত হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত করে আমাদের আবেদনটি আগামী ২১ জুন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য রেখেছেন। এ আদেশের ফলে ২৪টি ইটভাটা উচ্ছেদে কোনো বাধা থাকছে না।” হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) এক আবেদনে হাই কোর্ট গত ১৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের সব অবৈধ ইটভাটা সাত দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয়।

একই সঙ্গে এগুলোর মধ্যে কাঠ ও পাহাড়ের মাটি ব্যবহারকারী ইটভাটার তালিকা দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়। হাই কোর্টের এ আদেশের পর চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক একটি কর্মসূচি তৈরি করে ইটভাটা বন্ধে একজন নির্বাহী হাকিম নিয়োগ দেন। তবে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন না করায় নির্বাহী হাকিম এসএম আলমগীর ও জিল্লার রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করে এইচআরপিবি। পরে সে আবেদনের শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট ৩১ জানুয়ারি এক আদেশে চট্টগ্রামের সব অবৈধ ইটভাটা ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয়। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে এ নির্দেশনা পালন করতে বলে আদালত। হাই কোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে লোহাগড়ার ১১টি ইটভাটা মালিক আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

ইটভাটাগুলো হলো- শাহ মজিদা ব্রিক, এএইচ ব্রিকস, শাহ জব্বারিয়া ব্রিক ফিল্ড, বার আওলিয়া ব্রিক ফিল্ডস, রুন্তী ব্রিক ম্যানুফাকচারার, আরর ব্রিক ম্যানুফাকচারার, পদ্মা ব্রিকস, মহাজন মসজিদ ব্রিকস, শাহ জব্বারিয়া ব্রিকস, পুটিভিলা মাওলানা ব্রিকস ম্যানুফাকচারার ও খাজা ব্রিকস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!