ব্রেকিং নিউজ
Home | সাহিত্য পাতা | এই যুগের বিদ্রোহী নারী

এই যুগের বিদ্রোহী নারী

image_printপ্রিন্ট করুন

89
_____জোছনা হক (গদ্যকাব্য)_____

অধিক কোন দুঃখ ছিলনা আমার
হেঁসে খেলে যাচ্ছিল জীবন বেশ
আগের ক্ষত গুলো মলম বিহীন সুকিয়ে গেছে,
ব্যথার আশ্লেষে দুমড়ায়না হৃদয়।
হঠাৎ তুমি!
তোমার পদচারণ আমার সীমানার বাহিরে রাখতে ছেয়ে ও পারিনি,
তোমার নিত্যদিনের অভিনয়ের চোখের জল দেখে,
আমি তোমার দুঃখ হয়েছি,
তোমার মিনতি ভরা দুনয়ন দেখে মনে হতো এক পৃথিবী বিশ্বাস,
ছুঁটে আসতে রোজ কোন না, কোন বাহনায়,
আমার নিস্পাপ হৃদয়ের পাঠশালায়।
এতো নিঁখুত ছিল তোমার চলন-বলন,
তাতে আমি মুগ্ধ নই,
আমার মুগ্ধ দুনয়ন ছিল তোমার প্রতি বিশ্বাস আর দুঃসময়ে পাশে ছিলে বলে।
শিক্ষিত, গুণীজন তুমি,
সম্মানে, সবাই নমনম,
এইতো, বলেছিলে তুমি মানে আমি,আমি মানে তুমি,
এমনটা ছিল তোমার দেওয়া অকার্যকর সংসার নামক বালুচরে বাঁধা খেলাঘরে।
মাঝেমধ্যে ভয় হতো,
আর বলতাম,বেশী কিছু আমাকে মানায়না,
তুমি বলতে, পাগলী আমরা এমনটাই থাকবো।
পরক্ষণে দেখলাম ভুলে ভরা তোমার জীবন,
মিথ্যুক তুমি,
বুঝতে পেরেও না বুঝার ভান করেছি প্রতিনিয়ত,
তোমার শরীরের কাঁপুনি দেখে ভেবেছিলাম,
আমাকে হারানোর ভয়ে তোমার এই অস্থিরতা,
আমি তোমাকে লজ্জিত করতে চাইনি,
নিজেকে সামলে নিয়ে কাছে টেনে নিয়েছি,
ছোট করিনি ভালবাসা নামক পবিত্র বন্ধনকে।
শিক্ষিত, নাম,খ্যাতিওয়ালা মানুষ তুমি,
তোমার ভেতরে এতো বড় পশু আছে,
আমার মতো হয়তো জানে কয়েকজন,
ধান চিটলে কাকের অভাব হয়না,
কথাটা তোমাকে বেশ মানায়,
আমি ওই কাকের দলের ছিলামনারে,
আমার সর্বস্ব দিয়ে ভালবেসেছিলাম,
বিশ্বাস করেছিলাম,
একজন নারীর কাছে, নারীত্বের ছেয়ে দামী কি হতে পারে!
দুমড়ে,মুচড়ে দিয়েছ আমার বেঁচে থাকার অবলম্বন।
আমি স্বাধীন, মুক্ত দেশে এক বিরঙ্গনা হয়ে বাঁচবো,
এখানে কি মানুষ আছে?
তবে তুমি ছিলে শিক্ষিত মানুষ,সমাজের বিবেক
না!তুমি সেই মানুষ নই,
তুমি মানুষের উর্ধ্বে।
আমি বলি কি!
মানুষ নেই,শিক্ষিত হলে,ভালো পোষাক পড়লে মানুষ হয়না
মুখোশ,সবেই মুখোশ।
আমি সেইদিনের আমি নই,
আমি জলন্ত আগুন,
আমি ধ্বংস,
আমি প্লাবন,
আমি বিদ্রোহী,
আমি এই যুগের বিদ্রোহী নারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!