Home | ব্রেকিং নিউজ | অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়াতে প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়াতে প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

image_printপ্রিন্ট করুন

এলনিউজ২৪ডটকম : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এ দেশের সংবিধানে অন্যতম মূলনীতি হল ধর্ম নিরপেক্ষতা। তাই সকল ধরণের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করতে পারে। ধর্ম নিরপেক্ষতার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়াতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের খুসাঙ্গের পাড়ায় কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্তোষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি উদ্বোধনী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের উন্নয়নে সকল ধর্মের পাশাপশি বৌদ্ধধর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কর্মবীর জিনানন্দ মহাথের আজীবন মানবতার কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি গৌতম বৌদ্ধের অহিংসা বাণীকে ধারণ করে আলোকিত সমাজ গড়ে তুলেছেন। তাঁর মহাপ্রয়াণে বৌদ্ধ ধর্মের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। কর্মজ্যেতি জিনানন্দ মহাথের মৃত্যুতে তিনি দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, কর্মই ধর্ম। ধর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের ভালো কর্ম করে গেছেন তা তাঁর অন্তোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিতি প্রমাণ করে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক সম্প্রতির দেশ। এই ধর্মীয় সম্প্রতি বিনষ্ট করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টির পায়তারা করছে একটি মহল। তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র ভ্রাতুষ্পুত্র প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, তাঁর চাচা সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অগ্রনায়ক ছিলেন। তিনি মানবতার কাজ করেছেন। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ লালন করে আগামীতে তাঁর মতো ধর্মীয় গুরু সৃষ্টি হলে দেশ উপকৃত হবে। যারা অনেক দূর-দূরান্ত থেকে তাঁর চাচার অন্তোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা, কক্সবাজার- ১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম, দিনাজপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক পিপিএম (সেবা)।

অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু, দায়ক-দায়িকা, জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুধী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের ১৯৪৯ সনের ৪ ফেব্রুয়ারী লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া খুসাঙ্গের পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০২০ সনের ২২ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!