ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সারাদেশে বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি

সারাদেশে বিএনপির ৩ দিনের কর্মসূচি

54655_27994598_752367434956999_13

নিউজ ডেক্স : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ‍তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

কর্মসূচির মধ্যে আগামী সোমবার সারা দেশে একযোগে মানববন্ধন, মঙ্গলবার অবস্থান ধর্মঘট ও শেষ দিন বুধবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দেশব্যাপী অনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

এর আগে রায় ঘোষণার পরপরই ওই দিন (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাজার রায়ের প্রতিবাদে শুক্র ও শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। শনিবার দেশজুড়ে দ্বিতীয় দিনের মতো কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালন করছে দলটির নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ স্ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ০৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তারেক রহমানসহ বাকিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই কড়া নিরাপত্তায় খালেদা জিয়াকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে সম্প্রতি জনমনে গুঞ্জন ওঠে। তবে রায় যেহেতু বিচারিক আদালত দিয়েছে তাই একে পূর্ণাঙ্গ রায় বলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি হাতে পেলেই রায় স্থগিত ও খালেদা জিয়ার জামিনে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানাচ্ছেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা।

যদিও সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলনজনিত কারণে অভিযুক্ত হয়ে কারও দুই বছরের অধিক সাজা হলে সাজার পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন- এই হল বিধান।

খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও একই বিধান। তবে আপিলের মধ্য দিয়ে ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ থাকছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সামনে।

রায় ঘোষণার দিন বিকেলে এক প্রতিক্রিয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম জিয়ায় অংশ নিতে পারা না পারা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের দুটি রায় আছে, যেখানে এ ব্যাপারে কিন্তু সুনিশ্চিত বলা হয়েছে আপিল যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই মামলাটা পূর্ণাঙ্গ স্থানে যায়নি সেজন্য দণ্ডপ্রাপ্ত হননি সেজন্য ইলেকশন করতে পারবেন, আবার আরেকটা রায়ে আছে পারবেন না। এখন উনার (খালেদা) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা তাদের ব্যাপার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*