ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেক্স: চিকিৎসা নিতে গিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় এসি বিস্ফোরণে সর্বশেষ চিকিৎসাধীন থাকা রুক্সি আক্তারও মারা গেছেন আজ রবিবার।

এ ঘটনায় একে একে দগ্ধ একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর আগে রুক্সির বাবা আব্দুল মান্নান (৬০) এর মৃত্যু হয়।

রবিবার (১৬ জুন) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুক্সি মারা যান। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।

এর আগে গত বুধবার (১২ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪ টার দিকে রুক্সি আক্তারের শিশু সন্তান আয়ান (৩) মারা যায়। পরদিন বিকালে মারা যায় আয়ানের খালা রুক্সির ছোটবোন ফুতু আক্তার (১৮)।

নিহত রক্সি আক্তারের বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তিতামাঝির পাড়া এলাকায়। তাঁর চিকিৎসা করাতেই পরিবারের চার সদস্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। রক্সির স্বামী সিরাজুল মোস্তফা দুবাইপ্রবাসী।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি ভাটারা থানাকে অবগত করা হয়েছে।

গত ৬ জুন বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে রক্সির মস্তিষ্কে টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়। গত সোমবার ১০ জুন রক্সি ছেলে, বাবা আবদুল মান্নান (৫০) ও বোন ফুতু আক্তারকে (১৮) নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠেন তারা। সেদিন সন্ধ্যায়ই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রক্সির দেবর আহমেদ মোস্তফা জানান, ১০ জুন (সোমবার) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যায়। কক্ষে এসি চালানো ছিল। বিদ্যুৎ এলে হঠাৎ এসিতে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে আশপাশের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে এভারকেয়ার হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে-একে দগ্ধ একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। তাদের এই মৃত্যুতে শোকে নির্বাক পরিবারের অন্য সদস্যরা। মর্মান্তিক এমন ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে। সঠিক তদন্ত করে আবাসিক হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী নিহতের পরিবারের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!