Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | আমিরাবাদ ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ

আমিরাবাদ ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ

219

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন ওই পরিষদের সদস্যবৃন্দ। আজ ১৭ এপ্রিল এ ব্যাপারে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তারা। অভিযোগপত্রে ১০ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জন স্বাক্ষর করেন। তারা হলেন নাজমা আক্তার, রেহেনা আক্তার, মোঃ আজিজুল হক, মোঃ আয়ুব, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আতাউর রহমান চৌধুরী, এস এম ইউনুছ, আবদুল খালেক ও মৃণাল কান্তি দাশ।

অভিযোগে প্রকাশ, আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আলম চৌধুরী আইনগত জটিলতার কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হওয়ায় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম চৌধুরীকে ১নং প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি দু’বৎসর অধিক সময় দায়িত্ব করেন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে গড়িমসি করায় বিচার প্রার্থীরা হয়রানীর স্বীকার হয়েছে। এছাড়া পরিষদের উন্নয়ন বরাদ্দ, বিধবা ভাতা ও বয়স্কাভাতা বন্টনসহ প্রায় প্রতিটি কাজে বৈষম্য ও পরিষদের নিজস্ব বরাদ্দে একক আধিপত্য বিস্তার এবং বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে নিজ ইচ্ছায় প্রকল্প গ্রহণ করেন। পরিষদের বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও ত্রাণ সামগ্রীসহ সকল প্রকার বরাদ্দ এবং সুবিধাদী প্রতিটি ওয়ার্ডে সমহারে বন্টন না করে বৈষম্য সৃষ্টি করেন। প্রতিটি আর্থিক কার্যক্রমে একক সিদ্ধান্ত ও ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। উপজেলা পরিষদের এডিপি, রাজস্ব ও অন্যান্য বরাদ্দের ক্ষেত্রে একক সিদ্ধান্তে প্রকল্প গ্রহন করে অন্যান্য ওয়ার্ডের উন্নয়নে ব্যাঘাত করেন।

অভিযোগে আরো প্রকাশ, অত্র ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত তিনি নিজের ইচ্ছামত গ্রহণ করেন এবং অন্যান্য ইউপি সদস্য/সদস্যাদের সাথে কোন প্রকার আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন বোধ করেন না। পরিষদের সকল সদস্য ও কর্মচারীদের সাথে রুঢ আচরণ করেন।

আইনগত জটিলতা কাটিয়ে পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আলম চৌধুরী এক মাসের মত দায়িত্ব করাবস্থায় গত ১২ এপ্রিল গ্রেফতার হন। যার কারণে একজন প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া প্রয়োজন। যদি রফিকুল ইসলাম চৌধুরীকে পুণরায় প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ন্যায্য বিচার ও অধিকার হতে বঞ্চিত এবং পরিষদের বরাদ্দ সুষম বন্টন বঞ্চিত হবে জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য/সদস্যাবৃন্দ।

অপরদিকে, ইউনিয়ন পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ায় এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*