
নিউজ ডেক্স: বান্দরবানে বন্ধুদের সঙ্গে ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া রাউজানের এক কলেজছাত্র ১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মারা গেছেন। তার নাম নাফিজ বিন ফারুকী (২১)।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত নাফিজ রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের মীরধাপাড়া বড় বাড়ির বাসিন্দা ফারুক আহমেদের একমাত্র ছেলে। তিনি নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেলে বান্দরবানে ভ্রমণে গিয়েছিলেন নাফিজ। সেদিন বিকেলে ফেরার পথে পটিয়া বাইপাস সড়কে ‘সৌদি’ পরিবহনের একটি বাস তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের চালক আরেক্স ফাহিম ও পেছনে বসা নাফিজ গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে নাফিজের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার তিনি মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত মোটরসাইকেলচালক আরেক্স ফাহিম বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাফিজের মামা আতিকুল্লাহ মুরাদ বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে নাফিজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিল। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় কাঁঠালভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে নাফিজকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নাফিজের মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তার বাবা-মা ভেঙে পড়েছেন।