Home | উন্মুক্ত পাতা | টংকাবতীর মোহনায় অবিলম্বে ব্রীজ নির্মাণের দাবী

টংকাবতীর মোহনায় অবিলম্বে ব্রীজ নির্মাণের দাবী

image_printপ্রিন্ট করুন

48

জি. এম. আমির আহমদ : দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্যের সুতিকাগার নামে খ্যাত সাতকানিয়া- লোহাগাড়া। এ দু’টি উপজেলার প্রাচীনতম সংযোগ সড়ক হলো আমিরাবাদ ও বারদোনার সংযোগ রক্ষাকারী টংকাবতী মোহনা। যা সাধারণ মানুষের কাছে “তিন খালের মুখ” নামেই পরিচিত। তিন খালের মুখে ব্রীজ নির্মিত হলে শাহ মজিদিয়া গারাঙ্গিয়া সড়ক হয়ে বাঁশখালী সড়কের সাথে মিলিত হয়ে তিন উপজেলার বাসিন্দারা উপকৃত হবে। যানবহান চলাচলের ব্যবস্থা হলে সমগ্র দক্ষিণ চট্টগ্রাম শিল্প বিপ্লব সাধিত হবে। ঘোর পথে দূরত্ব অনেকাংশ কমে জনগণের ভোগান্তি কমবে। এ রাস্তাটি আমিরাবাদ হয়ে লামা উপজেলা পর্যন্ত বি¯তৃত। গ্রামীণ অর্থনীতিতে পুনরুজ্জীবিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। উন্নয়নশীল বাংলাদেশে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে তেমন প্রত্যাশার আলো দেখেনি। এই তিন খালের মুখ বা টংকাবতীর মোহনা দিয়ে যাতায়াত করে প্রতিদিন হাজার হাজার জনগণ ও শত শত যানবহান। সাতকানিয়ার বারদোনা ও লোহাগাড়ার পশ্চিম আমিরাবাদ এই দুই স্থানেই এসে যাত্রীদের দাঁড়াতে হয় এবং যানবাহন, দু’স্থানেই থেমে যায়। অর্ধেক ছাত্র-ছাত্রী ও এতদঞ্চলের কৃষকদের রোজগারের খাত হওয়ায় কৃষকরা কৃষিজ পণ্য পরিবহনে সীমাহীন দূর্ভোগে পড়ে। উভয় দিকে ভাল অবস্থা থাকা স্বত্বেও বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত এ ব্রীজটি না হওয়ায় হাজার হাজার মানুষের দুঃখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মাত্র ১৫০ মিটারের একটি ব্রীজের অভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পথের যাত্রীরা দীর্ঘদিন থেকে নানা হয়রানির শিকার। তিন উপজেলার সংযোগ রক্ষাকারী এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির একমাত্র প্রতিবন্ধক হচ্ছে টংকাবতীর মোহনায় ব্রীজ না থাকা। এই স্থানে একটি ব্রীজ নির্মিত হলে তিন উপজেলার লক্ষ লক্ষ জনগণের দীর্ঘদিনের দাবী পূরণের সাথে সাথে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অবকাঠামোতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে নিঃসন্দেহে। সরকারের উন্নয়নের রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের উন্মেষ ঘটাবে এই ব্রীজটি নির্মাণে। অবিলম্বে টংকাবতীর মোহনায় উক্ত ব্রীজটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে সীমাহীন দুঃখ-কষ্টে ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।

অতএব এতদঞ্চলের জনগোষ্ঠির দুঃখ লাঘব করার মানষে টংকাবতীর মোহনায় একটি ব্রীজ নির্মাণ করা অতীব জরুরী। তাই এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে টংকাবতীর মোহনায় একটি ব্রীজ নির্মাণের জোর দাবী জানিয়েছেন।

লেখক : সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, পদুয়া আইনুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, পদুয়া, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!