Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চট্টগ্রাম বন্দরের শেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে, তদন্ত কমিটি গঠন

চট্টগ্রাম বন্দরের শেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে, তদন্ত কমিটি গঠন

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার ভেতর তিন নম্বর শেডের আগুন দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ১২টি গাড়ি এবং নৌ বাহিনীর ফায়ার ট্রাক তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। বড় ধরনের আগুনে তিন নম্বর শেডে অনেক পণ্য পুড়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে বড় ধরনের। 

আগুনের কারণে অন্তত এক ঘণ্টা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি বন্ধ ছিল। আগুন জেটিতে ছড়িয়ে পড়বে ভেবে জেটিতে থাকা তিনটি বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজকে বহির্নোঙরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় জাহাজ সরাতে হয়নি। পণ্য উঠানামা এখন পুরোপুরি সচল হয়েছে।

এদিকে ঘটনার তদন্ত এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে চট্টগ্রাম বন্দর সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলমকে প্রধান করে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, কিভাবে ঘটনার সূত্রপাত তা জানা যায়নি। বিভিন্নজন বিভিন্ন কথা বলছে। ঠিকাদারের অসতর্কতার কারণে হয়েছে কিনা তদন্ত কমিটি সেটি খতিয়ে দেখবে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে কমিটি। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করবে কমিটি। প্রাথমিকভাবে আমরা দেখছি পণ্যের ক্ষতি হয়েছে, শেডের ক্ষতি হয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের তিন নম্বর শেডে পুরনো পণ্য বা নিলামের পণ্য থাকে। এই শেডে পুরনো কাপড়, নষ্ট পণ্য এবং রাসায়নিক ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। পুরনো হওয়ায় এই শেডের সংস্কার কাজ চলছিল। সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ এই কাজের ঠিকাদারি পেয়েছিল। কিন্তু তার পক্ষ থেকে রানা মোটরস নামের প্রতিষ্ঠান এই সংস্কার কাজের নির্মাণকাজ করছিল। ঠিকাদারের অসাবধানতায় সেখানে স্টিল ফ্রেম ওয়েল্ডিং করার সময় আগুন রাসায়নিকে পড়ে গেলে শেডে আগুন ধরে যায়।

জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আলী আকবর ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। এখানে তরল জাতীয় পদার্থ ভর্তি ড্রাম, কাপড়ের রোল, নথিপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের পুরোনো পণ্যসামগ্রী দেখা যাচ্ছে। নৌবাহিনী ও বন্দরের অগ্নি নির্বাপণকারী গাড়ির বাইরে ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ, বন্দর ও সিইপিজেড স্টেশনের ১২টি গাড়ি আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিয়েছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা হবে। কালের কণ্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!