Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগ তালাবদ্ধ : ডেন্টাল সার্জন প্রেষণে

লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগ তালাবদ্ধ : ডেন্টাল সার্জন প্রেষণে

595

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগ দীর্ঘদিন যাবত তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এতে দন্ত চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারদের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে রোগীদের সীমাহীন দূর্ভোগ এবং ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য জনবল সংকটের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে।

জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০১৫ ইং হতে উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন মঞ্জুর-ই-মাহমুদ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেষণে কর্মরত আছেন। আর এ সুযোগে ডিপ্লোমা ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট অজয় কুমার ধর নিজের ইচ্ছেমত অফিস করেন।

আমিরাবাদের বাসিন্দা কামাল হোছেন জানান, কিছুদিন আগে তার দাঁত শির শির করে উঠলে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগের যান। পরে ডেন্টাল টেকনোলিজস্ট তার দাঁত দেখে জানান, দাঁতে বড় সমস্যা হয়েছে। এ কাজ এখানে হবে না। বটতলী মোটর ষ্টেশনে আমার চেম্বারে দেখা করবেন। এতে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খরচ লাগবে। পরে তিনি সাড়ে ৩ হাজার টাকায় কাজ করান। কিন্তু তারপরও তার দাঁতটি রোগ থেকে মুক্তি পায়নি। পরে তিনি চট্টগ্রাম শহরে ডেন্টাল সার্জনের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।

১৬ অক্টোবর বেলা ১২টায় সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, দন্ত বিভাগ তালাবদ্ধ এবং ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট জরুরী বিভাগে আউটডোর রোগী দেখছেন। কিন্তু দন্ত বিভাগ বন্ধ করে এভাবে জরুরী বিভাগে ডিউটি করার ফলে সাধারণ রোগীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

জানা যায়, একজন ডিপ্লোমা ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট রোগী দেখার কোন নিয়ম না থাকলেও তা লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা হচ্ছে। এতে সাধারণ রোগীরা প্রতারিত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডঃ মোহাম্মদ হানিফ বলেন, এটা আদৌ উচিত হচ্ছে না। তারপরও জনবল সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে। অচিরেই এ সমস্যা সমাধান করা হবে।

অপরদিকে, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগ তালাবদ্ধ থাকার কারণে দন্ত রোগীর চিকিৎসাসেবা নিতে দ্বারস্থ হচ্ছেন ভুয়া ডেন্টাল ডাক্তারের কাছে। আর এ সেবা নিতে এসে তারা প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এই ব্যাপারে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*