
নিউজ ডেক্স : আকাশ মেঘে ঢাকা। সাথে ছিল কুয়াশা। বাতাস একটু বেশি। রোদ না থাকায় ঠান্ডাও অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি ছিল। এটা গতকাল শনিবারের চিত্র। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চলমান এই মেঘাচ্ছন্ন ভাব কাটতে তিন-চার দিন লাগতে পারে। মেঘলা ভাব কেটে গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শীত শুরু হবে।
হেমন্তের মধ্য সময়ে এসে শীত পড়ছে। গতকাল সকালে রোদ দেখা গেলেও ১২টার দিকে চট্টগ্রামের আকাশ মেঘলা হতে শুরু করে। এরপর আর সূর্যের দেখা মেলেনি।
কথিত আছে, ভাদ্রের ১৩ তারিখ হচ্ছে শীতের জন্ম। সে হিসেবে প্রায় তিন মাস হতে চলল শীতের বয়েস। তবে বাংলা পঞ্জিকাবর্ষ হিসেবে শীতকাল শুরু হতে আরো ২৩ দিনের মতো বাকি। পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস মূলত শীতকাল। তবে বাংলাদেশে সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শীত পড়তে শুরু করে। আর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে গিয়ে কমে যায়।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের গতকাল সন্ধ্যা ৬টার স্থানীয় পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সে সাথে ভোরের দিকে নদী অববাহিকা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা বিরাজ করতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমদ বলেন, শীত শুরু হলে তাপমাত্রা কমে আসে। তবে দিনের ও রাতের তাপমাত্রার তফাৎ থাকে। শীত শুরু হলে ডিসেম্বরের শুরুতে রাতের তাপমাত্রা ১৪-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে। দৈনিক আজাদী
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner