Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | বাঁশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত এক

বাঁশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত এক

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : বাঁশখালীর গণ্ডারায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোহাম্মদ আলমগীর (৪৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আলমগীর উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলী আহমদের ছেলে।গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার গণ্ডামারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

র‌্যাবের দাবি, নিহত আলমগীর ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় ডাকাতির অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম র‌্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবসার।

তিনি জানান, র‌্যাবের একটি দল গণ্ডামারা এলাকায় টহল দিচ্ছিল। আকস্মিকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে কিছু দুর্বৃত্ত। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবের সদস্যরাও গুলি ছোড়েন। পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময়ের পর ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে চারটি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি রামদা, একটি ছুরি, ১১ রাউন্ড কার্তুজ ও দুই রাউন্ড খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত আলমগীরের মা আয়েশা বেগম জানান, তার চার ছেলে তিন মেয়ের মধ্যে সে ছিল দ্বিতীয়। কক্সবাজার এলাকার আনোয়ার নামে এক ছেলের সাথে সে ব্যবসা করত। কী ব্যবসা করত তা না জানলেও আনোয়ার প্রায় সময় এসে আলমগীরের বাসায় অবস্থান করত। তিনি জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে অজ্ঞাত কিছু লোকের সাথে তাদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জানতে পারেন যে তারা র‌্যাব সদস্য।

সেই ঘটনায় র‌্যাব এর পুলিশ পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি অস্ত্র উদ্ধার ও অপরটি র‌্যাব সদস্যদের হত্যা চেষ্টায় দু’টি মামলা করেন। সেই ঘটনায় নিহত আলমগীরের বড় ছেলে লোকমান হাকিম আসামী হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। তাদের সাথে পার্শ্ববর্তী জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকায় এ ঘটনা হতে পারে বলে জানান আলমগীরের মা আয়েশা বেগম।

নিহতের বোন রেহেনা আক্তার বলেন, “গণ্ডামারার নিজ বাড়িতে ঘটনার পর থেকে আলমগীর আমার শ্বশুরবাড়ি পূর্ব পুঁইছড়িতে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে গত ১০ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাত পরিচয় কিছু লোক এসে তাকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিলে আমার দেবর ও ভাসুর সহ আমাকেও মারধর করে তারা।”

এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, “নিহত আলমগীরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে র‌্যাব ৭ এর ডিএডি মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে দু’টি মামলা করেছেন।” আজাদী অনলাইন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!