ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের আইসি ক্লোজড

চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের আইসি ক্লোজড

image-13648-1536911893

নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া অংশে দু’টি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১১ জনের প্রাণহানি এবং নিষিদ্ধ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে না পারায় শেষপর্যন্ত প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে নেওয়া হয়েছে মহাসড়কের বানিয়ারছড়াস্থ চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নূর–এ আলম পলাশকে। একইসঙ্গে এই দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয় করতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে। গতকাল শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরহাদ।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, পরপর দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরহাদ ও মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আলমগীর হোসেনকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি অতিশীঘ্রই দুর্ঘটনার কারণগুলো উদঘাটন এবং এই দুর্ঘটনার পেছনে কারো দায়িত্বহীনতা রয়েছে কী–না তার বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে হাইওয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে।

প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার বরইতলী নতুর রাস্তার মাথায় বাস ও ছারপোকা মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন নিহত এবং ১০ যাত্রী আহত হন। এর পরদিন বুধবার সকালে হারবাং ইনানী রিসোর্ট এলাকায় পণ্যবোঝাই কাভার্ড ভ্যান ও ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়। পর পর দুটি দুর্ঘটনার পেছনে মহাসড়কে নিষিদ্ধ চার চাকার ছারপোকা ও তিন চাকার ইজিবাইক টমটমকে দায়ি করে আসছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

অপরদিকে মহাসড়কের চকরিয়ায় দুর্ঘটনা রোধে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তন্মধ্যে ভয়াবহ ও মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পেছনে কী কারণ ছিল তা অনুসন্ধান করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাতকে। এছাড়াও হারবাং ও বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, দুইজন সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তাদের তদন্ত কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, ‘যেকোন উপায়ে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে হবে। এজন্য ফিলিং স্টেশনগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোন মোটর সাইকেল আরোহী হেলমেট ছাড়া গেলে তার কাছে জ্বালানি তেল বিক্রি না করতে। একইসঙ্গে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং মহাসড়কের চকরিয়ার ৩৯ কিলোমিটার অংশে দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড টাঙানো ছাড়াও অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনদিন ধরে মাইকিংও করা হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*