ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | অসহায় মুক্তিযোদ্ধার সম্পতি জবরদখলের চেষ্টা

অসহায় মুক্তিযোদ্ধার সম্পতি জবরদখলের চেষ্টা

IMG_20180327_135641
কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া : উখিয়ার পর্যটন নগরী ইনানীতে জায়গাজমির দাম বেড়ে যাওয়ায় এক শ্রেণীর ভুমি দস্যুরা অসহায় গরীব মানুষদের জায়গা দখলে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অসহায় গরীব এক মুক্তিযোদ্ধার জায়গা দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভূমি দস্যুরা।তান্ডব আশংখাজনক ভাবে বেড়ে গেছে। একশ্রণীর চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট এলাকায় দাপট দেখিয়ে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষদের জায়গা কেড়ে নিয়ে জিম্মি করে রাখে।
জানা যায়।উখিয়ার উপকু্লীয় ইনানী মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন নারিকেল বাগান এলাকায় সাবেক সেনা সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মফজল আহমদের পৈতৃকও খরিদা সুত্রে ৮৬ শতক জমি রয়েছে। সম্প্রতি মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন ইনানী মৌজার জমি জমার দাম বেড়ে যাওয়ায় এলাকার একশ্রেণীর ভুমিদস্যুও চাঁদাবাজদের দৃষ্টি পড়ে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধা মফজল আহমদের জমিতে চারিপার্শে ইটের বাউন্ডারী দেয়াল রয়েছে। বয়োবৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা মফজলের ভাতিজা নুরুল আমিন জানান, ইনানীর বিভিন্ন এলাকায় ভুমিদস্যুতা থেমে নেই। তারা সংঘবদ্ধ। বহিরাগত জমি খরিদকারী কেউ, না হয় দুর্বল কোন অসহায় লোকের জমি জবর দখলের জন্য হানা দেয়। হয়তো চাঁদা, নয়তো জমি জবর দখল। এভাবে চলছে ইনানীতে প্রতিদিন অহরহ ঘটনা।
ভুক্তভোগী উখিয়ার সমুদ্র উপকুল ইনানীর বাসিন্দা মফজল আহমদ সাংবাদিকদের জানান,  ১৯৫৪ সালে তার পিতার খরিদা জমি। সেসময় থেকে এপর্যন্ত প্রায় বাহাত্তর বছর তাদের ভোগদখলে রয়েছে। পঁচাত্তর উর্ধ সাবেক সেনা সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা এখন বয়সের ভারে ন্যুয়ে পড়ছে। তার এ সম্পত্তি পরিমান ৮৬ শতক। দেখা শোনা করেন তার আপন ভাতিজা নুরুল আমিন।
সম্প্রতি মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন জমির বাজার মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই জমিতে অনেকের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় এলাকার জনৈক সাবেক ইউপি সদস্য সামসুল আলম এই জমি জবর দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় আলমগীর, কফিল উদ্দিন, মিজান, আবদুচ ছালাম, মো: সেলিম, সাইফুলও নজরুল ইসলাম সহ একাধিক লোক জানান, তারা ছোটকাল থেকে দুই কানির মত এই জমিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বসবাস করে আসছে।
তারা বলেন, এক সময় ওই জমিটি হাওড়ের মত ছিল। সেখানে প্রচুর মাছের চাষ হতো। সেখানে প্রচুর মাছ হতো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সামসুল আলম বলেন, আমাদের ওই জমির অরেজিকৃত বায়না দলিল রয়েছে।  সে কারনেই সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে ছিলাম। বর্তমান দখলকারীরা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করাতে সাইনবোর্ডটি উঠিয়ে নিয়েছি। আমরা দেশের আইনকে শ্রদ্ধা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*