Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, তবু ভিক্ষা করেন মা!

তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, তবু ভিক্ষা করেন মা!

image_printপ্রিন্ট করুন
1505721337
নিউজ ডেক্স : তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা,মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ তাদের গর্ভধারিণী মা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে তিনি এতটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন যে দিনের এক বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে। বলছি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত্যু আইয়ুব আলী  সরদারের সত্তরোর্ধ  স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের  জীবন সংগ্রামের কথা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইয়ুব আলী সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ৬ সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই দিন কেটেছে তাদের।
আইয়ুব আলী-মনোয়ারা দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে- ফারুক হোসেন, নেছার এবং জসীম উদ্দিন পুলিশে কর্মরত আছেন। মেয়ে মরিয়ম সুলতানা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত । অন্য দুই সন্তান শাহাবউদ্দিন ব্যবসা এবং গিয়াস উদ্দিন নিজের ব্যবহৃত ইজি বাইক ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এতগুলো সু-সন্তানের গর্ভধারিণী মাকে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে।
বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম বয়সের ভারে স্বাভাবিক ভাবে হাঁটতে পর্যন্ত পারেন না। এদিকে গত ৪-৫ মাস আগে ভিক্ষা করতে যেয়ে পড়ে গিয়ে কোমরের হাড় ভেঙ্গে যায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজের পাশে একটি খুঁপরী ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে বেঁচে আছেন।
মনোয়ারা বেগমের ছেলে ইজি বাইক চালক গিয়াস উদ্দিন জানান, আমার সাধ্য মত মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টার করছি। এখন আমিও সহায় সম্বলহীন তাই বৃদ্ধ মা আজ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু পথযাত্রী। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকে।মায়ের কোন খোঁজ খবর নেয় না। -ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!