
নিউজ ডেক্স : নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশীসহ ৫১ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে প্রত্যেক পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা জানিয়েছে ইউএস-বাংলা।
এয়ারলাইন্সটি ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত কে এম দাস্তুর ও বাংলাদেশের সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স এ দুটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আওতায় ছিল।

এরই মধ্যে দুটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তাদের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু করেছে। তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই উড়োজাহাজের নিহত যাত্রীদের স্বজন ও আহতরা ক্ষতিপূরণ পাবেন। এ ছাড়া ক্ষতিপূরণ পাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষও।
নিয়ম অনুযায়ী নিহত প্রত্যেক যাত্রীর স্বজনরা নূ্যনতম ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই অর্থ কবে নাগাদ পেতে পারেন তা এখনও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
সংশ্নিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিমানের ক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্স ছাড়া চলাচলের বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। এর আওতায় উড়োজাহাজ, যাত্রী ও পাইলটদের আলাদা ‘মূল্য’ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পাইলটদের ১-২ লাখ ডলার, যাত্রীদের ন্যূনতম ৫০ হাজার ডলার ইন্স্যুরেন্স সুবিধা থাকে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিভিল অ্যাভিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেঘনা অ্যাভিয়েশনের পরামর্শক এয়ার কমডোর (অব.) ইকবাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে কোনও বিমান কেনার পরপরই তা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির তালিকাভুক্ত হতে হয়। সেখানে বিমানযাত্রী ও উড়োজাহাজের আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা থাকে।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজটি নেপালের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নেপালে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় ২টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৩টা ৫ মিনিট) ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে ৪ ক্রুসহ ৭১ আরোহী নিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ৫১ জন নিহত হন। যার মধ্যে ২৬ বাংলাদেশী, নেপালি ২৪ ও একজন চীনা নাগরিক রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত ২০ জনের মধ্যে বাংলাদেশী ১০, নেপালি ৯ ও একজন মালদ্বীপের নাগরিক রয়েছেন।
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner