Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে ব্যস্ত সরকার : ড. মঈন

নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে ব্যস্ত সরকার : ড. মঈন

120410_pic

নিউজ ডেক্স : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচন হয়নি, এটা হচ্ছে একটা প্রহসনের নির্বাচন, একটা ভুয়া নির্বাচন। সেই ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে যে সংসদ আজকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে সেই সংসদ বাংলাদেশের জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে না। কার প্রতিনিধিত্ব করে সেটা আপনারাই বুঝে নিতে পারেন, আমার অধিকতর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নাই।

আজ রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. মঈন বলেন, সরকার এখন ব্যস্ত হয়ে গিয়েছে কীভাবে তাদের এই যে প্রহসনের সরকারকে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়। মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য করার এই যে প্রচেষ্টা, সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই চা-চক্রের (গণভবনে) আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আসলে এই নির্বাচনে কে জয়ী কে বিজয়ী সেটা কোনো প্রশ্নই নয়। নির্বাচনে যাদেরকে জয়ী দেখানো হয়েছে তারা জয়ী হয়েছেন, এই নির্বাচেন যাদেরকে পরাজিত দেখানো হয়েছে তারা পরাজিত হয়েছেন। সেটা করা হয়েছে শুধু ভোট রিগিংয়ের মাধ্যমে নয়, এটা করা হয়েছে সন্ত্রাসের মাধ্যমে।

মঈন খান বলেন, আজকে যত উন্নয়নের কথা বলা হোক না কেনো, উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছি, এই নতুন সরকারের বয়স চার সাপ্তাহ হয়েছে। সংসদ এখনো বসেনি। দুইটি মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্ভবত হয়েছে। কিন্তু দেখুন-এই ৪ সাপ্তাহের ভেতরে ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কিভাবে হলো, কারা নিলো, কোন দায়িত্বে নিলো? উত্তর হচ্ছে- মেগা প্রজেক্ট, মেগা দুর্নীতি।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। সেই সংগ্রাম স্তব্ধ করে দিতে পারেনি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। সেই কথা স্মরণ করে আজকে আমাদের নতুন করে জোর গলায় বলতে হবে যদি প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের জন্য স্বাধীনতার যুদ্ধ করতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, স্মৃতি সংসদের শামীম তালুকদার, আলমগীর হোসেন, শাহিন খন্দকার, শাহবাগ থানা কৃষকদলের সভাপতি এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!