ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | লোহাগাড়ায় স্কুল শিক্ষকের প্রহারে ছাত্র গুরতর জখম

লোহাগাড়ায় স্কুল শিক্ষকের প্রহারে ছাত্র গুরতর জখম

148

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর হাজী সামশুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের প্রহারে ৮ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্র গুরতর জখম হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৫ মার্চ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিদ্যালয় ক্লাসে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে গুরতর জখম ছাত্রের পিতা উপজেলার আধুনগর আকবর পাড়ার হারুনুর রশিদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত আধুনগর হাজী সামশুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুপস কান্তি নাথ। আহত স্কুল ছাত্র মোঃ এহেসান ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র।

অভিযোগে প্রকাশ, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় সময় অন্যায়ভাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মারধর করে। ঘটনারদিন সকাল সাড়ে ১০টায় উক্ত শিক্ষক ক্লাসে আসে। উক্ত শিক্ষক ছাত্রকে (এহেসান) সামনে আসতে বলে এবং কিছু বুঝে উঠার আগে কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাথারী আঘাত করে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত এবং পরে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে বেদনাদায়ক জখম করে। পরে আরো মারধর করবে এ আশংকা ভয়ে বাড়িতে পালিয়ে আসে।

অভিযোগকারী হারুন রশিদ বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিদ্যালয়ে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। তাই তিনি নিরূপায় হয়ে ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক রুপস কান্তি নাথ বলেন, এহেছান প্রতিদিন অনুমতি না নিয়ে টিফিনের ছুটিতে বাড়িতে চলে যায়। আর আসেনা। সে প্রতিদিন ক্লাস ফাঁকি দেয়। সে এবারের জেএসসি পরীক্ষার্থী। জেএসসি পরীক্ষার সময় বাকি মাত্র ৬ মাস। তাদের সকালবেলা কোচিংও চলে প্রতিদিন।

তিনি আরো বলেন, উক্ত ছাত্রের কাছে বিদ্যালয়ে নিয়মিত না আসার কারণ জানতে চাইলে সে আমার সাথে তর্ক করে। তারপর কয়েকটিমাত্র বেত্রাঘাত করা হয়েছে। কিল, ঘুষি লাথি কোনটাই মারি নাই। দু’একটা বেত দিয়ে আঘাত করার পর উক্ত ছাত্রটি বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি খুব দুঃখজনক। তবে পারিবারিক কাজ থাকার কারণে তিনি কয়েকদিন যাবত ছুটিতে রয়েছেন। তিনি বিষয়টি শুনেছেন। বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দেন।

এলাকার সচেতন মহল অভিমত করেছেন একজন ছাত্রকে এভাবে প্রহার করা খুবই দুঃখজনক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*