ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | বঙ্গপোসাগরে ২০ জেলেসহ ১৬ ট্রলার নিখোঁজ, নিহত ২

বঙ্গপোসাগরে ২০ জেলেসহ ১৬ ট্রলার নিখোঁজ, নিহত ২

sea-600x330

নিউজ ডেক্স : বঙ্গপোসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ১৬টি ফিশিং ট্রলার ডুবে গেছে। এসব ট্রলার থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৬ মাঝি-মাল্লাকে। নিখোঁজ রয়েছেন ২০ মাঝি-মাল্লা। এছাড়া ফিশিং বোট-ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষের পৃথক ঘটনায় ২ জেলের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার ভোরে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে এই বোট ডুবির ঘটনা ঘটে। নিহতরা জেলেরা হলেন- কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের অছিউর রহমানের পুত্র আব্দুস শুক্কুর (৪০) এবং খুরুশকুল ডেইল পাড়ার আব্দুল করিমের পুত্র দিদার (৩০)।

এদের মধ্যে আব্দুস শুক্কুরকে আহত অবস্থায় রবিবার সকাল ১০টায় সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে শনিবার দুপুরে বঙ্গোপসাগরের বাঁকখালী নদীর মোহনায় ছোট ফিশিং বোট ও বালু বহনকারী ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ জেলে দিদারের লাশ রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন জসিম।

কক্সবাজার জেলা বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহামদের দেয়া তথ্যমতে নিখোঁজ ১৬টি ফিশিং ট্রলারের মধ্যে চৌফলদন্ডীর বাবুল কোম্পানির একটি, ফখরুদ্দিনের ১টি, কক্সবাজার শহরের পেশকার পাড়ার ফজল কোম্পানি, নুর পাড়ার আমিনুল ইসলাম মুকুল ও শওকত ইসলামের ৩টির পরিচয় পাওয়া গেছে।

শহরের নুর পাড়ার আমিনুল ইসলাম মুকুল জানান, তার মালিকানাধীন এফবি সেন্টমার্টিনে ১৭ জন মাঝি-মাল্লা ছিল। এদের মধ্যে ১২ জন ফিরে এলেও ট্রলারসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৫ মাঝি-মাল্লা।

সুস্থ্য ও আহত অবস্থায় ফিরে আসা মাঝি-মাল্লাদের বরাত দিয়ে জেলা বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহামদ জানান, রবিবার ভোরের দিকে টানা বৃষ্টির সাথে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি হলে বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূলের হিমছড়ি, কলাতলী, মহেশখালীতে ১৬টি বোট ডুবে যায়। এসব বোটের অধিকাংশ মাঝি-মাল্লা সাঁতরে কূলে ফিরে আসতে সক্ষম হলেও এখনো ২০ জন মাঝি-মাল্লা নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে কোস্টগার্ড কক্সবাজার স্টেশনের কন্টিজেন্ট কমান্ডার আকিরুল হাসান বলেন, মহেশখালী চ্যানেলের পশ্চিমে কবুতর চর নামক স্থানে দুটি ফিশিং ট্রলার ভেঙে যাওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। সেখানে চারজন জেলেকে উদ্ধার করেছে অন্য বোটের লোকজন। তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*