ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না শীতকালীন সবজির

পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না শীতকালীন সবজির

b84c044e1992622f33796461f5f2ebfd-Vegetable-696x435

নিউজ ডেক্স : পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না শীতকালীন সবজির। নগরীর প্রধান প্রধান খুচরা বাজারগুলোতে দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে গেল সপ্তাহের তুলনায়। এমন পরিস্থিতিতে, সাধারণ ক্রেতারা খুচরা বাজারে প্রশাসনের মনিটরিং দাবি করেছেন। তারা বলছেন, ‘প্রতি রমজানে বাজার মনিটরিং করে প্রশাসন। ফলে ওই সময়ে দাম কিছুটা সহনীয় থাকে। এখন ভর মৌসুমেও সবজির বাজার নিম্নমুখী হচ্ছে না। এইক্ষেত্রে কোন সিন্ডিকেটের কারসাজি আছে কী না সেটা খতিয়ে দেখতেই প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন।’ জানা গেছে, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, রাঙ্গুনিয়ার রাণীর হাটসহ বিভিন্ন বাজারগুলোতেও স্থানীয় কৃষকরা পাইকারি হিসেবে পূর্বের সপ্তাহের তুলনায় কম দামে সবজি বিক্রি করছেন। অথচ ওইসব বাজার থেকে সবজি এনে ব্যবসায়ীরা নগরীতে বিক্রি করছেন কয়েক গুণ বেশি দামে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাতকানিয়া ও চন্দনাইশে গতকাল পাইকারি হিসেবে স্থানীয় কৃষকরা প্রতি কেজি মুলা বিক্রি করেছেন ৫ থেকে ৭ টাকায়। অথচ সমমানের মুলা গতকাল রিয়াজুদ্দিন বাজারের আড়তে বিক্রি হয়েছে ১৫ টাকায়। একই মুলা খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকায়। বিভিন্ন ভ্যানগাড়িতে এবং নগরীর চেরাগীপাহাড়সহ অস্থায়ী বাজারগুলোতে ৩০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহেও খুচরা বাজারে মুলা একই দামে বিক্রি হয়েছিল।

একইভাবে অন্যান্য সবজির ক্ষেত্রেও মূল্যে এমন তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহের ন্যায় গতকালও খুচরা পর্যায়ে শিম বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। অথচ উপজেলা পর্যায়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং নগরীর পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকায়।

গতকাল নগরীর কাজীর দেউড়ি, চকবাজার, বহাদ্দারহাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু ২৫ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, টমেটো ৪০– থেকে ৪৫ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪৫ টাকা, মুলা ২০ টাকা, শসা ৩৫ টাকা, তিত করলা ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৮০, খাসির মাংসের কেজি ৭০০, ফার্মের মুরগি ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বহাদ্দারহাট কাঁচবাজার থেকে নিয়মিত সবজি কিনেন মো. মনজুর আলম এক সরকারি কর্মচারী। তিনি দৈনিক আজাদীকে বলেন, সাধারণত শীতকালে সবজির দাম কমতে থাকে। এখন দেখছি উল্টো। কমেই না পারলে আরো বেশি নেয়।

জানতে চাইলে সগীর নামে এক বিক্রেতা বলেন, পাইকারি পর্যায়ে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই আমরাও বাধ্য হচ্ছি বেশি দামে বিক্রি করতে। ‘পাইকারি বাজারে তো দাম কমছে। আপনারাই তো বেশি নিচ্ছেন। কিন্তু কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কে বলছে কমছে। ওখানে দুই একটাকা কমছে। সেটা আমাদের পরিবহন ব্যয়ে চলে যাচ্ছে। –আজাদী প্রতিবেদন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*