Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | পর্দার কাছে বালিশ হেরে গেছে : মির্জা ফখরুল

পর্দার কাছে বালিশ হেরে গেছে : মির্জা ফখরুল

fakhrul-1-20190906194606

নিউজ ডেক্স : ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ (ফেমিক) হাসপাতালের পর্দা কেনার দুর্নীতির কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ কেনার দুর্নীতি হেরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বালিশ কোথায়? বালিশতো হেরে গেছে পর্দার কাছে! এ হচ্ছে অবস্থা! সব লুট করছে চারদিকে। এমনভাবে লুট করছে যে, এই দেশকে একটি ফোকলা অর্থনীতিতে পরিণত করছে।

biman-ad

আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইফুর রহমানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান সাহেবরা থাকলে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রূপপুরে এভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হতো না। ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক হতো না। সাইফুর রহমান সাহেব দেশপ্রেমিক ছিলেন, দেশকে ভালোবাসতেন। নিজের বা দলের লাভবান হওয়ার জন্য দেশের সার্থকে জলাঞ্জলি দেননি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাইফুর রহমান সাহেব ব্যাংক দেননি। তখন কয়েকটি প্রাইভেট ব্যাংক ছিল। খুব চাপ ছিল, চতুর্দিক থেকে চাপ ছিল যে নতুন ব্যাংক দিতে হবে। এ নিয়ে আমাদের অনেকে বিক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, আমিতো দেশটাকে একটা লুটেরা অর্থনীতিতে পরিণত করতে পারি না। আজকে প্রমাণিত হয়েছে, এই যে ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক দিয়েছে, সব মুখ থুবড়ে পড়ছে।

তিনি অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, হলমার্ককে আবার সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ লুটেরা অর্থনীতিকে আবার লুটেরাদের হাতে দেওয়া হবে। এটাই এদের মূল চরিত্র। এদের চরিত্রই হচ্ছে লুটেরা। চারদিকে সব লুট করছে। এমনভাবে লুট করছে, দেশটা একটা ফোকলা দেশে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি না কি অর্থনীতির আইডল। এটা আদর্শ, মডেল! কিন্তু অতিদ্রুত বিশ্বের কাছে প্রমাণিত হয়ে গেছে, এটা একটা ফাঁপা অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। অথচ সাইফুর রহমান, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার সময় এ অর্থনীতি ছিল দৃঢ় অর্থনীতি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!