Home | ব্রেকিং নিউজ | টংকাবতীতে বালু উত্তোলন আপাতত বন্ধ

টংকাবতীতে বালু উত্তোলন আপাতত বন্ধ

240

এলনিউজ২৪ডটকম : বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর গত ২৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল থেকে টংকাবতী খালের কলাউজান লক্ষ্মণেরখীল বড়–য়া পাড়াস্থ চর থেকে প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতায় জনৈক খোরশেদ আলম ও দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি চক্র প্রতিদিন এ চর থেকে ট্রাকে ট্রাকে বালু পাচার করে আসছিলেন। যার ফলে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারায়। তারা দাপটের সাথে এলাকায় প্রচার করেছিলেন যে, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ্মাসন সিংহের নির্দেশে তারা বালু উত্তোলন করেছিলেন।

তবে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জনস্বার্থ বিবেচনা করে টংকাবতী খালের মূল প্রবাহে চরম্বার রাজঘাটা লোকালয় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হওয়ায় লক্ষ্মণেরখীল চরের উপর দিয়ে নদী প্রবাহের গতি পরিবর্তন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে এস্কেভেটরের মালিক খোরশেদ আলমকে দু’লক্ষ টাকায় এ কাজ করার জন্য বলা হয়।

খোরশেদ আলম ও দেলোয়ার হোসেন আরো প্রচার করেছে, উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বালুগুলো সরানোর কাজ নেন। চরম্বা ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার শফিকুর রহমান ও কলাউজান ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদকেও তারা আনুপাতিক হারে প্রতি ট্রাকে বালু পাচারের সময় চাঁদা দিয়েছেন। তবে চেয়ারম্যানদ্বয় ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা খোরশেদ আলমের এ উক্তি অন্তসার শুন্য বলে দাবী করছেন।

খুরশেদ আলম ও দেলোয়ার হোসেনসহ বালু পাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

টংকাবতীতে এস্কেভেটর দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*