
নিউজ ডেক্স : লোহাগাড়া উপজেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত ডলু, টংকাবতী, হাঙ্গর চাম্বিসহ ১৩টি খালে প্রতিবছর হাজার হাজার ঘনফুট বালি উত্পন্ন হয়। এসব বালি দিয়ে লোহাগাড়ায় একটি কাঁচ শিল্প গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, ডলু-টংকা খালের বালি চট্টগ্রামসহ সারাদেশে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিল্ডিং, রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য নির্মাণ কাজে এ খালের বালি প্রচুর ব্যবহূত হচ্ছে। প্রকৌশলীরা জানান, সিমেন্ট ও বালির মিশ্রণে উপযুক্ত উপাদান হিসেবে ডলুর বালি খুবই টেকসই। এ কাজে বিকল্প কোনো বালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ডলুর বালি এতই ঝকঝকে ও পরিষ্কার যে সূর্যের আলোয় চকচক করে। মনে হয় বালি থেকে বিদ্যুতের আলো বের হচ্ছে। এ খালের বালিতে সিলিকা বা কাঁচ মাটি রয়েছে। যা কাঁচ শিল্পে প্রচুর ব্যবহূত হবে। সহজেই এ বালি দিয়ে এলাকায় একটি কাঁচ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব। এতে করে এলাকায় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রতিবছর ডলুসহ অন্যান্য খালের প্রচুর পরিমাণ বালি বিভিন্নভাবে অপচয় হচ্ছে। ফলে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা যায়, লোহাগাড়ার ডলুসহ বিভিন্ন খাল থেকে বালি উত্তোলনের জন্য সরকার ২০/২৫টি বালি মহালকে ইজারা দেয়। এসব বালিমহাল থেকে ৩০ হাজার ঘনফুট বালি উত্তোলন হয়। ইজারাদাররা প্রভাব খাটিয়ে অপরিকল্পিতভাবে আরো ২০ হাজার ঘনফুট বালি উত্তোলন করে। অন্যান্য পন্থায় উত্তোলন হয় ১০ হাজার ঘনফুট। সব মিলিয়ে বছরে লোহাগাড়ায় ৬০-৭০ হাজার ঘনফুট বালি উত্তোলন হয়।
অন্যদিকে বছরে লোহাগাড়ার সবক’টি খালে বালি উত্পন্ন হয় এক লাখ ঘনফুটের কাছাকাছি। যা দিয়ে সহজেই একটি ভারী কাঁচ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব। -ইত্তেফাক
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner