Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | লঙ্কান জঙ্গি জাহরানের পরিবারের ১৮ সদস্য নিহত

লঙ্কান জঙ্গি জাহরানের পরিবারের ১৮ সদস্য নিহত

image_printপ্রিন্ট করুন

zahran-hashim-20190429123624

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডের হামলাকারী মূলহোতা মোহাম্মদ জাহরান হাশিমের পরিবারের অন্তত ১৮ সদস্য পুলিশি অভিযানের পর নিখোঁজ রয়েছেন। তারা নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাহরানের বোন। জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের সদস্য ও হামলার মূলহোতা মোহাম্মদ জাহরান হাশিমের বোন বলেন, হামলার পর পুলিশের অভিযানে পরিবারের ওই সদস্যদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় গত ২১ এপ্রিল খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডের দিনে গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে সমন্বিত আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। সিরিজ এই বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত ২৫০ জন নিহত ও আরো কমপক্ষে ৫০০ জন আহত হয়েছেন। হামলার দু’দিন পর জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়।

হামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দেশটিতে আরো হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতার পাশাপাশি জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আরো হামলা হতে পারে বলে দেশটির একজন সংসদ সদস্য মার্কিন সংবাদসংস্থা সিএনএনকে জানিয়েছেন।

সিএনএনের সঙ্গে আলাপকালে মাথানিয়া বলেন, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ছিন্ন-ভিন্ন মরদেহের ছবি দেখে তার ভাইকে শনাক্ত করেছেন তিনি।

‘রোববারের হামলার পর থেকে আমার পরিবারের পাঁচ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে আমার তিন ভাই, বাবা ও আমার বোনের স্বামী রয়েছে।’

শুক্রবার দেশটির পূর্বাঞ্চলের সেইন্টহামারুথু শহরে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের সঙ্গে দেশটির পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে ছয় শিশু, ১০ বেসামরিক নাগরিক ও ছয় সন্দেহভাজ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। পরের দিন ওই এলাকার একটি বাড়িতে কয়েকজনের ছিন্ন-ভিন্ন মরদেহ পাওয়া যায়। বিস্ফোরণে ওই বাড়ির ভবনের ছাদ উড়ে গেছে।

‘ওই বাড়িটিতে অভিযানে পাঁচজন নারী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে আমার তিন ভাইয়ের স্ত্রী, আমার ছোট বোন ও আমার মা রয়েছেন। এছাড়া তাদের সাত শিশু সন্তানও মারা গেছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সেইন্টহামারুথুর ওই বাড়িটিতে অভিযানের সময় একটি বিস্ফোরণ হয়। তারপর পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়। মাথানিয়া বলেন, তার ভাই জাহরান হাশিমের স্ত্রী ও মেয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করে বলছে, শুক্রবারের অভিযানের পর ওই বাড়ি থেকে একজন নারী ও এক শিশুকে উদ্ধারের পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!