Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের ২২ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে : রেলমন্ত্রী

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের ২২ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে : রেলমন্ত্রী

image_printপ্রিন্ট করুন

327

নিউজ ডেক্স : দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের ২২ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে শঙ্খনদের উপর নির্মিত রেলসেতুর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনের সময় তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে চন্দনাইশ প্রতিনিধি জানান। মন্ত্রী এসময় আরো জানান, এ বছর শেষে কাজের ৫০ ভাগ অগ্রগতি হবে।

এদিকে গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর সিআরবির রেলওয়ে অফিসার্স রেস্টহাউসে সাংবাদিকদের দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প নিয়ে ব্রিফিং করেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত। সাধারণত আমাদের দেশে কোনো প্রকল্পই নির্ধারিত সময়ে শেষ হয় না। তবে আমাদের বর্তমানে রেললাইন প্রকল্পের যে অগ্রগতি আমি এটিও বিশ্বাস করছি নির্ধারিত সময়ের আগে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তবে আগে শেষ হওয়ার দরকার নাই, অন্তত নির্ধারিত সময়ে শেষ হলেও এটি আমাদের জন্য অনেক প্রাপ্তির। আমি আজকে (গতকাল) প্রকল্পের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেছি। মাটি ভরাট থেকে শুরু করে সব কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছু জটিলতা আছে, তবে আমরা সেইসব দ্রুত সমাধান করে এগিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাচ্ছে, কোন পরিবারের মেয়ে থাকলে তারা সাধারণত পিতার সম্পত্তির ভাগ নেন না। যেই মাত্র ভাইয়েরা অধিগ্রহণের টাকা নিতে যাচ্ছে, তখন বোনেরাও সেই টাকার ভাগ চায়। তখন তারা বলে আমাদেরকে টাকা দিতে হবে।

এরকম কয়েকটি মামলা রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বর্তমানে জমির মালিককে তিনগুণ টাকা দিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। মানুষ বরং রেললাইন নির্মাণে সহযোগিতা করছে। বর্ষার সময়েও যাতে কাজ বন্ধ না হয়, সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কোনো রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে, তাহলে এ প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে। অন্যদিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে হাই স্পিড ট্রেন সার্ভিস চালু করার পরিকল্পনা আছে আমাদের। আমাদের পরিকল্পনা আছে, সেই ট্রেন সার্ভিসটি চট্টগ্রাম রুট হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার। এই ট্রেন চলবে ঘন্টায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মাত্র এক ঘণ্টায় আসা যাওয়া করা যাবে।

রেলওয়ের জমি দখল করে স্থাপনা তৈরি বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের অবৈধ দখলকারদের উচ্ছেদ করে খুব বেশি সুফল আমরা পাচ্ছি না। দেখা যায় উচ্ছেদের কিছুদিন পরে তা আবারও দখল হয়ে যায়। তাই কোনো জমি উদ্ধারের পর সেটি কোনো কাজে না লাগালে তা আবারও দখল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন আপনারাই (সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে) পরামর্শ দেন, জমি উদ্ধার করে আমরা কী করবো? তবে নতুন করে যাতে কেউ রেলওয়ের জমি দখল না হয় সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অপরদিকে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে সহযোগিতা করছেন না বলে রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমি আসার পর অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখছি। এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!