
বুধবার (৬ মে) দৈনিক সকালের সময় ও সিটিজিসংবাদডটকমডটবিডি নামে দুটি পোর্টালে “চুনতী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে সংরক্ষিত বনভূমি বেদখল হয়ে গেছে প্রায় ১ হাজার একর” শিরোনামে প্রচারিত প্রতিবেদন আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এছাড়া সিটিজিসংবাদডটকমডটবিডি প্রতিবেদনে আমার ছবি ব্যবহৃত করা হয়েছে। যা খুবই দু:খজনক। বাস্তবে উল্লেখিত স্থানসমূহ আমার দায়িত্বাধীন বিট এলাকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে আমাকে জড়িয়ে উপস্থাপন করা সত্যের অপলাপ।

আমি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি। বনভূমি রক্ষা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদে নিয়মিতভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চুনতি অভয়ারণ্যে যে কোনো অনিয়ম বা দখল সংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোকাবিলা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখিত বালি উত্তোলন, টিলা কাটা কিংবা পানের বরজ নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগগুলোর সাথে আমার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বরং এসব অনিয়ম প্রতিরোধে বন বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
এছাড়া, প্রতিবেদক আমার সাথে যোগাযোগের বিষয়ে যে দাবি করেছেন, তা আংশিক সত্য হলেও সবসময় সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততার কারণে সব কল বা বার্তার তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে তথ্য যাচাইয়ের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে অবশ্যই সহযোগিতা করা হতো।
আমি জোরালোভাবে দাবি করছি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে সঠিক তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনিক সীমানা নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় এতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।
আমি এরূপ বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রকৃত তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন প্রচারের জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
চঞ্চল কুমার তরফদার
বিট কর্মকর্তা
চুনতী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিট
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner