
এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়ার চরম্বা গুচ্ছগ্রামের অধিবাসী রাশেদা বেগম স্বপ্নের জাল বুনে দিন কাটান। স্বামী থেকেও নেই। প্রতিদিন তার উপর অকথ্য নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে স্বামী শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন অভিযোগ সত্যি নয়।
তিনি রাশেদা ভরণ–পোষণ দিয়ে থাকেন। রাশেদা অভিযোগ করেছেন চরম্বা এলাকায় তার বাপের বাড়ি আমিরাবাদে তার বিয়ে হয়। স্বামী মারা যাবার পর তার এক কন্যা সন্তান ছিল। তাকে অন্যত্রে বিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি গুচ্ছগ্রামে একটি ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম অপর ঘরে স্ত্রী–পুত্র নিয়ে বসবাস করেন। এক সময় মিথ্যা প্রলোভনে রাশেদাকে বিয়ে করেন। রাশেদার জমি–জিরাত শহিদ আত্মসাত করার পরও রাশেদার নামে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন গ্রহণ করে তাও আত্মসাত করেছেন।

স্বামী শহিদের নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ তার। শহিদ একজন হাতির মাহুত। তার বাড়ি সিলেটের বিয়ানী বাজারে । কাপ্তাই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
লোহাগাড়ার চরম্বার জঙ্গলে হাতির মাহুত হিসাবে বিভিন্ন কাঠ ব্যবসায়ীর লগ (কাটের গুড়ি) পরিবহণ করতেন। সেই সূত্রে এখানে তিনি রাশেদাকে বিয়ে করেন। তবে তাদের বিয়ের কোন কাবিন নেই। ২০০৪ সালে এ গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয়। পাশে আবাসন প্রকল্প রয়েছে।
সেখানে সরকার আয় বর্ধক কোন প্রকল্প গ্রহণ করেননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রাশেদা অন্যান্যদের মতো কৃষকের মাঠে ফসলের আগাছা পরিস্কার, বন থেকে কাট আহরণ ও জাল বুনে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং স্বপ্ন দেখেন সুন্দর আগামীর।
সূত্র : সাংবাদিক মোঃ জামাল উদ্দিন
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner