Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | হদিস পাচ্ছে না রেলের টিকিট বিক্রির ৯৪ হাজার টাকার

হদিস পাচ্ছে না রেলের টিকিট বিক্রির ৯৪ হাজার টাকার

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম-নোয়াখালী রুটের ছয়টি স্টেশনের টিকিট বিক্রির ৯৪ হাজার ৭০০ টাকার হদিস পাচ্ছে না রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কর্মকর্তারা। এ ঘটনা তদন্তে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের এক কর্মকর্তাকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম-নোয়াখালী রুটের (নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেনের) ছয়টি স্টেশনের টিকিট বিক্রির ৯৪ হাজার ৭০০ টাকা চট্টগ্রামে পাঠানোর উদ্দেশে ছয়টি থলেতে ভরে সেগুলো বিশেষ সিন্দুকে ঢুকিয়ে সিলগালা করে লাকসাম স্টেশন মাস্টার শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো হয়।

শাহাবুদ্দিন সিন্দুকটি গার্ড থেকে বুঝে নিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ থেকে আসা চট্টগ্রামগামী নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দেন। ট্রেনের গার্ড চট্টগ্রাম পে অ্যান্ড ক্যাশ অফিসে বুঝিয়ে দিতে গেলে দেখা যায় সিন্দুকটির তালা ভাঙা। একই সঙ্গে সিন্দুক থেকে ‘হাওয়া’ হয়ে গেল ৯৪ হাজার ৭০০ টাকা।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, লাকসাম স্টেশন মাস্টার শাহাবুদ্দিনকে সিন্দুকের তালা ভাঙার গরমিল সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। এরপরও তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে সিন্দুকের গায়ে নতুন একটি কার্ড ট্যাগ লাগিয়ে চট্টগ্রাম পাঠিয়ে দেন।

লাকসাম স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী স্টেশন মাস্টারের নজরে যেকোনো ত্রুটি এলে তা ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করতে হয়। এ ঘটনায় তিনি ঊর্ধ্বতন কাউকে না জানিয়ে নতুন কার্ড ট্যাগ লাগিয়ে সিন্দুকটি চট্টগ্রাম কেন পাঠালেন?

এদিকে, এ ঘটনায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিষয়টি স্বীকার করে মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনা তদন্ত করতে গত ২ জানুয়ারি আমরা লাকসাম গিয়েছিলাম। সেখানকার কর্মকর্তা ও কর্মরত কুলিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি নোয়াখালী ও লাকসামের মধ্যেই কোথাও ঘটেছে বলে ধারণা করছি। জাগো নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!