ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | লোহাগাড়ায় রোহিঙ্গারা ছদ্মবেশে বিভিন্ন পেশায়

লোহাগাড়ায় রোহিঙ্গারা ছদ্মবেশে বিভিন্ন পেশায়

512

নিউজ ডেক্স : মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গার অনেক পুরুষ লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করছে বলে জানা গেছে। ছদ্মবেশী পুরুষেরা কতিপয় স্থানীয় লোকের সহায়তায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পেশার সাথে জড়িত বলে সূত্রে প্রকাশ। যারা পুরাতন তারা স্থানীয় দুষ্টচক্রের সহায়তায় সাম্প্রতিককালের অনুপ্রবেশকারীদের অনেককে আত্মীয়–স্বজন পরিচয় দিয়ে এনে বিভিন্ন কলোনি বা পাহাড়ি এলাকার জনবসতিতে ভাড়াটিয়ে হিসেবে আশ্রয় দিয়েছে। এক শ্রেণির দালালচক্রও কালো টাকা উপার্জনের মোহে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। পেশাগতভাবে এদের মধ্যে বেশির ভাগ ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। কেউ কেউ সিএনজিচালিত ট্যাক্সিচালক বলেও জানা যায়। কথাবার্তায় বোঝা যায় তারা রোহিঙ্গা। কিন্তু পরিচয় দেয় কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, চকরিয়া, পেকুয়াসহ আরো বিভিন্ন এলাকার অধিবাসী বলে। তারা উপজেলার বিভিন্ন বস্তি এলাকায় কম টাকার ভাড়াটিয়ে বাসায় বসবাস করছে। অনেকের পরিবার পরিজনও রয়েছে। সাম্প্রতিককালে আরো জানা গেছে, কম বয়সের শিশু শ্রমিকেরা বিভিন্ন হোটেল–রেস্তোরাঁয় চাকরি করছে। কম বেতনের কর্মচারী পাওয়ায় মালিকপক্ষও খুশি। অপরদিকে কোন–কোন রোহিঙ্গা মহিলাকে দেখা যাচ্ছে স্টেশনে বা হাট–বাজার এলাকায় ভিক্ষে করতে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, রোহিঙ্গাদের খুঁজে বের করে আশ্রয় শিবিরে প্রেরণ করা আবশ্যক। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা একান্ত প্রয়োজন। এ ছাড়া ইউনিয়নের প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি, চৌকিদার, আনসার–ভিডিপি’র সদস্য–সদস্যাবৃন্দ, স্কুল–কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক–শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম, পাড়া–মহল্লার সর্দারসহ প্রত্যেক নাগরিককে স্ব–স্ব অবস্থান থেকে এ ব্যাপারে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।

এদিকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অনুপ্রবেশকারী আরো ৩১ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার বড়হাতিয়া, পদুয়া ও চরম্বার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এস.আই সোহরাওয়ার্দী জানিয়েছেন, উপজেলায় আশ্রিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের আটক অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান পিপিএম (বার) বলেন, এলাকার আইন–শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রোহিঙ্গাদের আটক করে ক্যাম্পে পাঠানো তাদের জন্য অপরিহার্য। তাই উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গাদের আটক করে ক্যাম্পে পাঠানোর অভিযান আরও জোরদার হবে। এ ব্যাপারে তিনি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের সহায়তা কামনা করেছেন। -পূর্বকোণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*