Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | বজ্রপাতে ৩ জেলায় ৭ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে ৩ জেলায় ৭ জনের মৃত্যু

বজ্রপাত

নিউজ ডেক্স : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই উপজেলা নাসিরনগর ও বিজয়নগর, নোয়াখালীর কবিরহাট এবং নরসিংদীর রায়পুরায় বজ্রপাতে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে এসব ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভলাকূট ইউনিয়নের বালিখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, বালিখোলা গ্রামের মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে মন্তু মিয়া (৫২), নাহিদ মিয়ার ছেলে শহিদ মিয়া (৩২) ও মৃত আবু মিয়ার ছেলে জিনু মিয়া (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে বালিখোলা গ্রামের কয়েকজন স্থানীয় হাওরে মাছ ধরতে যান। এসময় প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত শুরু হলে তারা হাওরের পার্শ্ববর্তী একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এসময় ওই ঘরটির পাশে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ওই তিনজন মারা যান। এ ঘটনায় সিরাজ (৪৫) ও রেশম (৩০) নামে আহত দুই ব্যক্তিকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ওই জেলার বিজয়নগরে বজ্রপাতে আবদুল হান্নান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খাটিঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল বাছির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছিল। হান্নান তার ঘরের চালায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি ও গাছের পাতা সরানোর জন্য ঘর থেকে বের হন। এসময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় বজ্রপাতে বেলাল হোসেন (৩৩) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের সোনাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বেলাল হোসেন একই গ্রামের ওবায়েদ উল্যাহর ছেলে। সকাল ৯টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাাস্থলেই তার মুত্যু হয়।

এছাড়া নরসিংদীর রায়পুরায় বজ্রপাতে এক নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে রায়পুরা উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়নের আতকা পাড়া গ্রামে প্রচণ্ড ঝড়ের মধ্যে হাওরে স্বামীকে খুঁজতে গেলে আকস্মিক বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে ধানী জমি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।

নিহতারা হলেন, মুসাপুর আতকা পড়া গ্রামের লাল মিয়ার স্ত্রী রেখা বেগম (৪৫) ও একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে আ. ছালাম (৪০)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*