ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | দোহাজারী সড়ক বিভাগে নিত্যদিন ছুটির আমেজ!

দোহাজারী সড়ক বিভাগে নিত্যদিন ছুটির আমেজ!

Satkania-Pic1-825x510

নিউজ ডেক্স : সাতকানিয়া উপজেলার আওতাধীন যে কয়েকটি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস রয়েছে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগ তার মধ্যে অন্যতম। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সরকারি অফিসটিতে অধিকাংশ সময়ই কর্মকর্তা-কর্মাচারীরা থাকেন অনুপসি’ত। গত ১ মাস ধরে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে দপ্তরে পাওয়া যায়নি। যে কয়জন কর্মচারী অফিসের উপসি’ত থাকেন তাদের জবাব স্যার ২টার পরে আসবেন কিংবা হেড অফিসে মিটিং আছে, ইত্যাদি। গত রোববার সরেজমিনে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ১০ থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত কোনো কর্মচারী উপসি’ত নেই। এমনকি নির্বাহী প্রকৌশলী নিজেও দপ্তরে ছিলেন না। নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষ বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কেরানিহাট প্রাণকেন্দ্রে ট্রাফিক পুলিশ বক্স নির্মাণ করছে। বিষয়টি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উর্ধ্বতনমহলে অবহিত করা হলে তারা দোহাজারী নির্বাহী প্রকৌশলীকে পুলিশ বক্স নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস’া নেয়ার নির্দেশ দিলেও তিনি অদ্যাবধি কোনো ব্যবস’া নেননি। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাঙামাটি জোনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার সাথে সাথে দোহাজারী নির্বাহী প্রকৌশলীকে পুলিশ বক্স নির্মাণ বন্ধের জন্য নির্দেশ দিয়েছি। তিনি কেন ব্যবস’া নেননি আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সরকারি অফিসে অধিকাংশ কর্মচারী অনুপসি’তির বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কোন্ ধরনের কথা কর্মকর্তা অফিসে না থাকলে কর্মচারীরা অনুপসি’ত থাকবে? এটা সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা বহির্ভূত আচরণ। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস’া নেয়া প্রয়োজন।

এদিকে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিকাংশ কর্মচারীই একই দপ্তরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে কর্মরত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে আবার অনেকে অন্যত্র বদলি হলেও কর্মস’লে যোগদান না করে দেনদরবার করে আইডিটি’র মাধ্যমে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগেই বহাল রয়েছেন। তাছাড়া দোহাজারী সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির নিয়োগবিধি বহির্ভূতভাবে বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে মাস্টাররোলে নিয়োগ প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নেয়ার জন্য দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল মিয়ার মোবাইলে বারবার রিং করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। -সুপ্রভাত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*