ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | ডলুখালে একটি ব্রীজ নির্মিত হলে চুনতি-পুটিবিলার দৃশ্যপট পাল্টে যাবে

ডলুখালে একটি ব্রীজ নির্মিত হলে চুনতি-পুটিবিলার দৃশ্যপট পাল্টে যাবে

32

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়ার এমচরহাটের উত্তর সীমানায় ডলুখালের উপর একটি ব্রীজ নির্মিত হলে পুটিবিলা ও চুনতিসহ অন্যান্য স্থানের শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও সর্বক্ষেত্রে দৃশ্যপট পাল্টে যাবে এমনটাই অভিমত রেখেছেন এলাকাবাসীরা।

সরেজমিনে জানা যায়, ডলুখালটি পুটিবিলা এমচরহাটের পশ্চিম প্রান্ত সীমানা ছুঁয়ে উত্তরদিকে প্রবাহিত খালের পশ্চিম পাড়ে চুনতি ইউনিয়নের নারিশ্চা, বড়–য়া পাড়া ও আধুনগর সীমানা এলাকা অবস্থিত। এখানে নারিশ্চা বৌদ্ধ মন্দির, জাদি ও নারিশ্চা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। নারিশ্চা বৌদ্ধ মন্দির হতে খালের পাড়ের রাস্তাটি স্কুল সন্নিহিত স্থানে ছুঁয়ে ইছহাক মিয়া সড়কের সাথে মিশেছে। ইছহাক মিয়া সড়কটি চুনতি মুন্সেফ বাজার থেকে শুরু হয়ে পানত্রিশা পর্যন্ত বি¯তৃত। এ রাস্তাটি চালু হওয়ার পর ঘোর পথে এমচরহাট থেকে মুন্সেফ বাজার পর্যন্ত যাতায়াতের দূরত্ব অনধিক ১৫ কিলোমিটার কমে গেছে বলে চুনতির মেম্বার আবদুল মোনাফ জানিয়েছেন।

এমচরহাটের চিকিৎসক ভূষণ বড়–য়া বলছেন, প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী পুটিবিলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুটিবিলা উচ্চ বিদ্যালয়, পুটিবিলা হামিদিয়া মাদ্রাসা ও সন্নিহিত সুফি ফকির প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। এছাড়া ডলুখালের দু’পাশে গ্রামে প্রচুর শাকসব্জি উৎপন্ন হয়। কৃষকরা এসব পণ্য এমচরহাট, কেয়াজুপাড়া, দরবেশহাট ও লোহাগাড়া বটতলীতে বিপনন করে। অনেক সময় ডলুখালে প্রবল স্রোত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ও যথাসময়ে নৌকা পাওয়া যায় না বলে উৎপাদিত পণ্য বিপননে কৃষকরা দূর্ভোগ পোহান। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে পারে না। এখানে একটি ব্রীজ নির্মিত হলে সমস্যাটি থাকবে না। ব্রীজ নির্মাণের প্রতিশ্র“তি দিয়ে অনেকে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে যান। এলাকাবাসী চোখের জল  ডলুখালের পানিতে মিশে একাকার হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এ স্থানে রাস্তাটি সরকারী গোপাট বলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সার্ভেয়ার নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন। ডাঃ ভূষণ বড়–য়া ও কয়েকজন সচেতন লোক গোপাটটি উদ্ধার করে যাতায়াতের রাস্তাটি চওড়া করার জন্য ইউএনও বরাবরে দরখাস্ত করেছেন।

চুনতি এলাকার মেম্বার আবদুল মোনাফ বলছেন, দরখাস্ত পাওয়ার পর খালের দু’পাশে সরকারী জমি উদ্ধার করার নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও। এখন ব্রীজ নির্মাণের অপেক্ষা মাত্র। পরবর্তীতে গোপাট ভরাট করে ইট বিছিয়ে দিলেই এলাকাবাসীরা সুফল পাবেন এ সম্ভাবনা শতভাগ নিশ্চিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*