ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বিএনপি

ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বিএনপি

211540Sangsad_

নিউজ ডেক্স : রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।

গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ ১৯তম দিনে সরকারি দলের হাসান ইমাম খান, ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, এটিএম আবদুল ওয়াহাব, জুয়েল আরেং, বেগম সানজিদা খানম, বেগম সাবিহা নাহার, দিলারা বেগম ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান আলোচনায় অংশ নেন।

সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে সরকারের সার্বিক উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছেন। তারা তরুণ সমাজকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল থাকার আহবান জানান।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিএনপি প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল উল্লেখ করে তারা বলেন, এখন বিএনপির মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা শুনলে লজ্জা লাগে। বন্দুকের নলে বিএনপির জন্ম, আর সেই দলের উত্তরসুরি বেগম খালেদা জিয়া মাগুরা মার্কা নির্বাচন করে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাদের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাসনের কথা মানায় না। তারা আগামী নির্বাচনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। তাদের ষড়যন্ত্র এদেশের মানুষ প্রতিহত করবে।

সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন। তাই তার মনে ভয় আছে, না হয় তিনি কিভাবে বুঝলেন যে তার সাজা হবে? তিনি রায়কে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে তৃতীয় শক্তিকে আহবান জানাচ্ছেন। তার এই স্বপ্ন কোন দিনই বাস্তবায়ন হবে না।

সরকারি দলের সদস্যরা বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সকল বিষয় তুলে ধরলেও কয়েকটি বিষয় বলতে পারেননি। এর মধ্যে একটি হলো বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে পর পর ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছেন, তিনি তার কালো টাকা সাদা করেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতির ভাষণে উঠে আসেনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির সদস্য বলেন, সরকারের অর্জনের পাশাপাশি অনেক কিছু বর্জনেরও রয়েছে। ব্যাংকের দুর্নীতিসহ আর্থিক সেক্টরের অনিয়মের বিষয়গুলো এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এ বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতির ভাষণে আসেনি।

তারা বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টি চেয়ারমান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন। এরশাদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করতে তাদের সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ সন্তান ঘোষণা করেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের সম্প্রসারণ করেছিলেন।

জাতীয় পার্টির সদস্য বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেছে। অথচ এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংযোজন, বিয়োজন ও পরিবর্তন, পরিবর্ধন করা হচ্ছে। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করছে। অবিলম্বে সঠিক তালিকা তৈরি করে করে জাতিকে এই অবস্থা করে মুক্তি দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*