
দুর্ঘটনাকবলিত বাসে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের আগুন। পাশে নিহত লোহাগাড়ার যুবক ইরফারুল হক।
নিউজ ডেক্স : আনোয়ারার কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসের ধাক্কায় লোহাগাড়ার যুবকসহ ৩ গার্মেন্ট কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ৪০ জন আহত হন। ২৯ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, ঘটনাস্থলে নিহত গার্মেন্ট কর্মী লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি সাতগড় এলাকার মোঃ সামশুল হুদার পুত্র ইরফানুল হক (২৭), আনোয়ারা উপজেলার সুলতানা রাজিয়া (৩৫) ও বরিশালের মোঃ লতিফ (৫০)।

আহতরা হলেন উজ্জ্বল কান্তি দে (৩০), তানিয়া আক্তার (২৫), ইসপিকা চৌধুরী (২৬), জয়া (২৪), রমা চৌধুরী (২৫), রুমপি (২৮), নাহিদা (২২), পিয়াংকা (২৪), নুর জাহান (২৩), রহিমা (২৪), সাথী (১৯), কাউছার আক্তার (২০), শাখী (২০), তৌহিদুল (৩০), সুমন কান্তি দে (৩৫), নারগিস (২৫), লাভলী (১৮), মিতালি (৩০), রাজু বড়ুয়া (৩২), আইরিন (১৯), চেমন আরা (১৮), ইয়ামিন (১৮), শামীমা (২৪), উত্তম (৪৭), কাকলী (২২), রহিমা (২৩), মিনতি (৩৯), শুকলা (১৮), রুবি (৩০), রুবি আক্তার (২৫), তানিয়া (২০), আমিন (৩৩), বিশ্বজিৎ (৩৭), ফারুক (৪৯) এবং তৈয়বা সুলতানা (২০)।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আরেফিন জুয়েল জানান, ‘কর্ণফুলী ইপিজেডের ভেতরে সকাল ৮টার দিকে শ্রমিকদের বহনকারী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপর একটি বাস ও দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়।’
তিনি বলেন, তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৪ জনকে চমেক হাসপাতালে আনা হলে আরও দু’জন মারা যান। এ ঘটনায় আরও ৪০ জন আহত হন। আহতরা চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ওই বাসসহ তাদের বহনকারী তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানান সহকারী পুলিশ কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) জাহেদুল ইসলাম।
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner