
নিউজ ডেক্স : ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে জুন মাসের প্রথম দিন থেকে। ওইদিন ১০ জুনের ট্রেন যাত্রার টিকেট বিক্রি শুরু হবে বলে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী বলেন, ১৬ জুন ঈদের সম্ভাব্য দিন ধরে ১ জুন থেকে টিকেট বিক্রির সূচি ঠিক করেছেন তারা। বাংলাদেশ রেলওয়ে এর আগে ২ জুন থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রির পরিকল্পনার কথা জানালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তা একদিন এগিয়ে আনা হল।
রেলমন্ত্রী বলেন, ১ জুন থেকে ৬ জুন পর্যন্ত ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকেট বিক্রি করবে রেলওয়ে। ঈদের পরের ফিরতি যাত্রার টিকেট বিক্রি হবে ১০ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কমলাপুর স্টেশনে ২৬টি কাউন্টার থাকবে। এর দুটি থাকবে নারীদের জন্য। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কিনতে পারবেন। এবার বৃষ্টির পাশাপাশি সড়কপথের অবস্থা বিবেচনা করে ট্রেনে বর্ধিত চাপ সামলাতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী বলেন, এবার ১৫ হাজার টিকেট বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত ঈদের মওসুমে প্রতিদিন ২ লাখ ষাট হাজার টিকেট বিক্রি হত। এবার প্রতিদিন ২ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি যাত্রী যেন ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন– সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে মুজিবুল হক জানান। আমরা আগের চেয়ে বেশি কোচ–বগি সংযোজন করেছি। আশা করছি এবার সারাদেশে অন্যবারের চেয়ে ১৫ হাজার বেশি যাত্রী প্রতিদিন বহন করতে পারব। যে কোনো ধরনের অনিয়ম–বিশৃঙ্খলা রোধ করতে নিরাপত্তা বাহিনী প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পুলিশ, র্যাব, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী প্রস্তুত আছে। যেখানেই কালোবাজারি, যেখানেই নাশকতা সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈদের পর ১০ জুন থেকে ফিরতি টিকেট বিক্রি শুরু হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজশাহী,খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ফিরতি টিকেট বিক্রি করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ঈদের তিন দিন আগে থেকে সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। এছাড়া ঈদের পর আরও ৭দিন এসব বিশেষ ট্রেন চলবে।
এর মধ্যে ঢাকা–দেওয়ানগঞ্জ, চট্টগ্রাম–চাঁদপুর রুটে দুটি করে, ঢাকা–রাজশাহী, ঢাকা–পার্বতীপুর, ভৈরব–কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ রুটে এসব ট্রেন চলবে।
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner