Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সেনা তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে সিডিএর মেগা প্রকল্প

সেনা তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে সিডিএর মেগা প্রকল্প

image_printপ্রিন্ট করুন

Untitled-1-17

নিউজ ডেক্স : নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহীত মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তবে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে ‘সিডিএ’ই থাকবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আজ এ বিষয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে প্রকল্পটির সুনির্দিষ্ট ৮ টি খাত নিয়েও আলোচনা হবে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা এবং সিডিএর প্রকৌশল প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক বৈঠকে খাতগুলোর ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছিল। আজকের বৈঠকে প্রকল্পটির ডিপিপিতে ‘সংযোজন–বিয়োজন’ বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

এদিকে গত ২ নভেম্বর চট্টগ্রাম সফরে চট্টগ্রাম সফরে এসে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন সিডিএর প্রকল্পটির ‘ভালো–মন্দ’ চিহ্নিত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন চসিক মেয়রকে। এর প্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনও পৃথক একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন। এতে ১৮টি বিষয়ে আপত্তি ও পরামর্শ জানিয়েছে চসিক। এ প্রতিবেদনটিও আজকের সভায় উপস্থাপন হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আজকের বৈঠকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঢাকা সেনানিবাসের ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম ও প্রধান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফজলুল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন উপস্থিত থাকবেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (্‌একনেক) সভায় সিডিএর গৃহীত ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুন:খনন, সম্প্রসারণ. সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক মেগাপ্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৬শ ১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

এদিকে আজকের মিটিং প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘হ্যাঁ, মিটিং আছে। যে প্রকল্পটি আমরা তৈরি করেছি সেখানে কোন সংযোজন–বিয়োজন হবে কী না সেটা নিয়েই আলোচনা হবে। ডিপিপিতে কোন বিষয় অতিরিক্ত থাকলে সেটি বাদ দেয়া হবে এবং কোন কিছু বাদ পড়লে সেগুলো সংযুক্ত করা হবে।’

‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা’ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘চট্টগ্রামের মানুষ যেখানে খুশি আমরাও সেখানে খুশি। চট্টগ্রামের মানুষ কি চায়? সুন্দরভাবে প্রকল্পটি যেন বাস্তবায়ন হয় এবং জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি। আমরাও চাই, অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতেই হবে, পেতেই হবে। চট্টগ্রাবাসীকে কষ্ট ও দুর্দশা থেকে রক্ষা করার জন্য যা যা করা দরকার সব করবো। তিনি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে রির্পোট নিয়েছি। তারাও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য এখানে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চায়’।

‘প্রকল্পটি নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তৈরিকৃত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আবদুচ ছালাম বলেন, ‘এর আগে ওয়াসাকেও একটি প্রতিবেদন দিতে বলেছিলেন মন্ত্রী মহোদয়। তারা দিয়েছে। এখন মেয়র সাহেবকে বলেছেন, তারাও দিবেন। যেহেতু বড় প্রকল্প, বাস্তবায়নের জন্য সবার পরামর্শ দরকার। পরামর্শ যত বেশি হবে তত ভাল হবে।’

প্রকল্পের ডিপিপির বিভিন্ন ভুল ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভুল–ত্রুটি বলার জন্য অথরিটি আছে। অথরিটি যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি বলবেন। এই েতে্র মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতে বলবো।’

বৈঠকে আলোচ্য ৮ বিষয় :

ওয়াসা, সিডিএ এবং চসিকের প্রকৌশল প্রতিনিধিদের বৈঠকের আলোকে চিহ্নিত প্রকল্পটির খাত– বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ, নিষ্কাশন অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন, সিল্ট ট্রাপ নির্মাণ, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, ব্রিজ ও কালভার্ট/ক্রস ড্রেইন নির্মাণ, আগ্রাবাদ বক্স কালভার্ট, নীচু অঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাপনা, পাকা নর্দমা ও ্যাব নির্মাণ বিষয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একনেকে অনুমোদনের পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্ট সকল সেবা সংস্থার সাথে সমন্বয়পূর্বক প্রকল্পের যাবতীয় কারিগরী দিকসমূহ পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। আর এ পর্যালোচনা করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রী দায়িত্ব দেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যানকে। তিনি গত ১২ ও ১৪ আগস্ট চসিক, সিডিএ এবং ওয়াসার প্রকৌশল প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রকল্পটির উলেহ্মখিত ৮টি দ্বৈততা নিয়ে নিরীক্ষা করা হয়। এইক্ষেত্রে চট্টগ্রাম ওয়াসা বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে যে ড্রেনেজ মাস্টার পহ্ম্যান করেছে তার সঙ্গেই তুলনা করে দ্বৈততা বা অসামঞ্জস্যগুলো খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। যা আজকের সভার অন্যতম আলোচ্য বিষয়।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ওয়াসার মাস্টার প্ল্যানে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি খালের ওপর ৬৫ টি ব্রিজ/কালভার্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে পানি প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি খালের ওপর নির্মিত ২১ টি সরু ব্রিজ অপসারণ ও পুণ:নির্মাণ এবং ৫০টি নতুন ক্রস ড্রেনেজ কালভার্ট নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।’ কিন্তু সিডিএর প্রকল্পে খাল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চলমান প্রকল্পসমূহের সাথে সমন্বয় না করেই ঢালাওভাবে মোট ৫৪টি আর সি সি কালভার্ট/পি সি গার্ডার ব্রিজ প্রতিস্থাপন এবং ২০০টি নতুন ক্রস ড্রেনেজ কালভার্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

ওয়াসার মাস্টার প্ল্যানে আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোড় সংলগ্ন এলাকাসমূহে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ প্রণীত মাস্টার প্ল্যান–১৯৯৫ এ নির্দেশিত মতে ইতোপূর্বে নির্মিত ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের শেখ মুজিব রোড বক্স কালভার্টটি বিশেষায়িত পদ্ধতিতে পলি/সিল্ট মুক্ত করণের সুপারিশ রয়েছে এবং অ্যাকশন প্ল্যান ফেইজ–১ অগ্রাধিকার ভিত্তিক হিসেবে বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে। কিন্তু সিডিএর প্রকল্পে এসব নেই বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নকালীন মোট তিন আর্থিক সালের জন্য খালসমূহের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনার সুবির্ধাথে মোট ৪০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে যা সিটি কর্পোরেশনকে দেয়া হবে। প্রকৃত ব্যয় অনুযায়ী এটা অপ্রতুল। এই খাতে বছর ওয়ারী ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় জনবল ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে অর্ন্তভুক্ত করা, চাক্তাই খালের বিভিন্ন স্থানে ৪টি পাম্পিং ব্যবস্থা (প্রতিটি ৫ ঘনমিটার) স্থাপনের বিষয়টি প্রকল্পে অর্ন্তভুক্ত করা প্রয়োজন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়। নিয়মিত খাল খননের জন্য ৪টি লংবুম, ৪টি শর্টবুম, এবং ৪টি এম্পিবিয়াস এক্সেভেটর ও ভাসমান ময়লা অপসারণের জন্য ৪টি হারভেস্টার মেশিন ক্রয়ের সুপারিশ রয়েছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে ‘চট্টগ্রাম ওয়াসার মাস্টার পহ্ম্যান এর প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ নিশ্চিতকল্পে সিডিএ ‘ল্যান্ড ইউজ প্ল্যান’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। সিডিএ ‘ড্যাপ’ এর সাথে সংগতি রেখে প্রকল্পে অর্ন্তভুক্ত ৩টি বন্যার পানি সংরক্ষণ জলাধার নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন’।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পে সবচেয়ে কম বরাদ্দ রাখা হয়েছে খালের কাদা ও মাটি অপসারণ বা খনন খাতে। এই খাতে বরাদ্দ মাত্র ৫৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অথচ রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ খাতে সর্বোচ্চ ৪৭ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ৩০ শতাংশ, খালের পাড়ে ৮৫ দশমিক ৬৮ কি: মি: রাস্তা নির্মাণ খাতে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং ৫৪ টি আরসিসি কালভার্ট/পিসি গার্ডার ব্রিজ প্রতিস্থাপন খাতে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ ব্যয় ধরা হয়েছে।

মেয়রের প্রতিবেদনে ১৮ আপত্তি :

সিটি কর্পোরেশনের তৈরিকৃত প্রতিবেদনে সিডিএর প্রকল্পের ১৮টি বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ‘বাস্তবায়নের সময়কালকে বাস্তবানুগ মনে হয় নি’ বলে দাবি করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিডিএর প্রকল্পে ১৭৬ কিলোমিটার ‘প্রতিরক্ষা দেয়াল’ নির্মাণের প্রস্তাব করলেও চসিক ইতোপূর্বে ৪৬ কিলোমিটার নির্মাণ করেছে এবং আরো ২৫ কিলোমিটার নির্মাণ করছে। বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে এই ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব।

৭ নম্বর আপত্তিতে উল্লেখ করা হয়, ওয়াসার মাস্টার প্ল্যানে চাক্তাই খালের ‘কেচমেন্ট এরিয়া’র তুলনায় ড্রেনেজ অপ্রতুল মনে করা হয়েছে। সিডিএর প্রকল্পে এ বিষয়টি আলাদা করে বিবেচনা করা হয়নি।’

এছাড়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সিডিএর ডিপিপিতে ৯ দশমিক ৫ লক্ষ ঘনমিটার ‘তলানী বর্জ্য’ অপসারণের প্রস্তাব করা হলেও ওয়াসার মাস্টার প্ল্যানে এর প্রাক্কলন ১৪ দশমিক ২০ লক্ষ ঘনমিটার। ফলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারিত হবে না।

রক্ষণাবেক্ষণে যন্ত্রপাতি ক্রয়ের যে প্রস্তাবনা রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল উল্লেখ করে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণে জটিলতা সৃষ্টি হবে। সিটি কর্পোরেশনের সাথে পরামর্শ করে এই পরিমাণকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। এছাড়া যেসব খালের উপর পিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে সিডিএ সেখানে আর সি সি ব্রিজ নির্মাণ সম্ভব উল্লেখ করে করা বলা হয়, এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে।

প্রকল্পে বন্যার পানি সংরক্ষণে জলাধার তৈরির ক্ষেত্রে ওয়াসার পরামর্শ গ্রহণের প্রস্তাব দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াসার মাস্টার প্ল্যানে কোন জলাধারের প্রস্তাব করা হয় নি। তাদের (ওয়াসার) বিবেচনায় ৬টি নিন্মভূমি এলাকা সংরক্ষণ এবং অতিপ্রয়োজনে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে সমস্যা মোকবেলা করা সম্ভব। কিন্তু সিডিএর প্রকল্পে তিনটি জলাধার ধরা হয়েছে। যার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ব্যয়সহ বিপুল অর্থ ব্যয় হবে। এক্ষেত্রে ওয়াসার প্রস্তাব গ্রহণ করলে অর্থ সাশ্রয় হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া খাল পাড়ে রাস্তা নির্মাণ, পাম্প স্থাপন, ড্রেন পরিকার ও নতুন ড্রেন নির্মাণ, শেখ মুজিব রোড বক্স কালভার্ট, ড্রেনের কাভার ্যাব, সিল্ট ট্রাপ নির্মাণ, টাউডাল রেগুলেটর ও সারপেস ুইস গেইট, ব্রিজ প্রতিস্থাপন বিষয়ে আপত্তি ও পরামর্শ রয়েছে মেয়রের প্রতিবেদনে।

জানতে চাইলে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘ওয়াসার মাস্টার প্ল্যান তো আছেই। আমরাও পাওয়ার চায়না দিয়ে প্রকল্প তৈরির জন্য নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য স্টাডি করেছিলাম। দুটোর সাথে সমন্বয় করে আমরা প্রতিবেদন তৈরি করেছি। এতে সিডিএর প্রকল্পে বিদ্যমান ভুল–ত্রুটিগুলো উঠে আসে। মেয়র বলেন, নগরবাসীকে পুরোপুরিভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেয়াই প্রকল্প গ্রহণের উদ্দেশ্য। এখন প্রকল্প বাস্তবায়িত হল, কিন্তু জনগণ রেজাল্ট পেল না তাহলে তো প্রধানমন্ত্রীর একটি সদিচ্ছার অপমৃত্যু হবে। তাই এটির ভুল–ত্রুটি চিহ্নিত করে এবং তা সংশোধন করে বাস্তবায়ন করা উচিত। –আজাদী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!