ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

pm20170427181112

নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর আমাদের বড় সম্পদ। ব্যবসা বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব অপরীসিম। এ বন্দরকে আধুনিক করতে এবং সক্ষমতা বাড়াতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বন্দরের সুনাম বাড়াতে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পোর্ট এক্সপো উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এসব কমর্সূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড মহেশখালী’ প্রকল্প উদ্বোধন করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একদিকে যেমন নদীমাতৃক, অন্যদিকে রয়েছে বিশাল সমুদ্র। কাজেই এ সমুদ্রকে ব্যবহার করা এবং এর মাধ্যমেই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরও কার্যকর করার বিরাট সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা আঞ্চলিকভাবে গড়ে তুলেছি। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোরও এই বন্দর ব্যবহারের সুযোগ আছে। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ভারত, নেপাল ও ভুটান যাতে বন্দর ব্যবহার করতে পারে, আমরা সে সুযোগ করে দিচ্ছি। ভৌগলিক অবস্থান থেকে আমাদের অবস্থান এমন একটা জায়গায়, যেখান থেকে বাংলাদেশ হচ্ছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্তের সেতুবন্ধন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও আধুনিক করার জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। শ্রমিকদের কল্যাণে সব ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টি রয়েছে। বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আজকের উদ্যোগের মধ্যদিয়ে বন্দরের সুনাম ব্যাপকভাবে প্রচারিত হবে। বন্দরের সুনাম যেন অক্ষত থাকে, সে দিকে সব সময় দৃষ্টি দিতে হবে।

একাত্তরে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে জাহাজে করে অস্ত্র আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন জাহাজে করে অস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছিল। বন্দরের শ্রমিকরা তাতে বাধা দেয়। তখন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে প্রায় ২৩ জন শ্রমিক প্রাণ দিয়েছিলেন। ওই সোয়াত জাহাজ থেকেই অস্ত্র নামাতে যায় জিয়াউর রহমান। তাকে পথেই বাধা দিয়েছিল সাধারণ জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর স্বাধীনতার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় মাইন পোতা ছিল। মিত্রশক্তি রাশিয়া এসে এই বন্দরকে মাইন মুক্ত করে দেয়।

আগামীকাল শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে এক্সপোর সমাপণী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!