Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | গণসংযোগে হামলায় ড. অলি’র ছেলেসহ আহত ১০

গণসংযোগে হামলায় ড. অলি’র ছেলেসহ আহত ১০

image_printপ্রিন্ট করুন

images

নিউজ ডেস্ক : আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)’র মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যান ড. কর্নেল(অবঃ) অলি আহমদের পক্ষে প্রচারণাকালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন কর্নেল অলি আহমদের ছেলে ওমর ফারুক ওরফে সানি। ১৫ ডিসেম্বর শনিবার বেলা দেড়টার সময় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের তেমুহনী বৈদ্য বাড়ি এলাকায় এঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য চন্দনাইশ উপজেরার সাথে সাতকানিয়ার অংশ বিশেষ নিয়ে চট্টগ্রাম-১৪ আসন গঠিত। সাতকানিয়া উপজেলার যে ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি গঠিত তন্মধ্যে কেঁওচিয়া ইউনিয়নও রয়েছে।

এলডিপি’র নেতা কর্মীরা অভিযোগ করেন পূর্ব নির্ধরিত সময়ানুযায়ী কেঁওচিয়া এলাকায় প্রার্থীর ছেলেসহ নেতাকর্মীরা গনসংযোগ করতে গেলে একদল যুবক লাঠিসোটা, দা’কিরিচ নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে। এ সময় ত্রাস সৃষ্টির জন্য তারা ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

সাতকানিয়া উপজেলা এলডিপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা গনসংযোগ করে তেমুহনী বৈদ্য বাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ৭টি মোটর সাইকেল ও ৩টি পিক-আপ নিয়ে প্রায় ৪০-৪৫ জন সন্ত্রাসী এসে বিনা উসকানিতে আমাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় তারা এলডিপি’র চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদের ছেলেকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটাতে থাকে। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কর্নেল অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক ওরফে সানি, ভাতিজা মো. এয়াকুব, কেঁওচিয়া ইউনিয়ন এলডিপি’র সভাপতি আবু সৈয়দ লাদেন, তার ছেলে আহমদ হৃদয়, ভাই আবদুস ছালাম, ডেমোক্রেটিক শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক মো. এনাম, কেঁওচিয়া ইউনিয়ন এলডিপি সহ-সভাপতি আলী আকবর, আবদুল আজিজ, রবিউল করিম ও বাবু আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। লাদেনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে বলে এলডিপি’র নেতাকর্মীরা জানান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধূরী ও উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানার আওয়ামী যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. ওসমান আলী বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি, তাদের অভিযোগ সত্য নয় আসল ঘটনা হচ্ছে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এলডিপি নির্বাচন না করায় বিএনপি ও জামায়াত ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। এটা তাদের জোটগত কোন্দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!