Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | কে পাচ্ছেন নৌকা প্রতীক, ফেসবুকে নানা গুঞ্জন

কে পাচ্ছেন নৌকা প্রতীক, ফেসবুকে নানা গুঞ্জন

20180905111117398208file

নিউজ ডেক্স : আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য সকল প্রার্থীর দৃষ্টি এখন গণভবনের দিকে। চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এখন ঢাকায়। তাদের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায়। প্রার্থীদের তুলনায় কর্মী সমর্থকদের দুশ্চিন্তা যেন আরো বেশি! এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে মনোনয়ন না দিলেও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চট্টগ্রামের আসনগুলোতে দলীয় প্রার্থী কে হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনিয়ে চলছে তুমুল কাণ্ড।

গত ৫ বছরে এলাকায় কার কী অবস্থান বা দলের জন্য কে কতটুকু খেটেছেন- এসব বিবেচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেষ মুহূর্তে কার হাতে তুলে দিচ্ছেন নৌকা প্রতীক এ নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তবে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় আছেন বর্তমান এমপিরা। এবার তারা মনোনয়ন পাচ্ছেন নাকি বাদ পড়ছেন- তা নিয়ে যেন চরম অস্বস্তিতে রয়েছেন।

আগামী ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। আজ-কালের মধ্যে আওয়ামী লীগ আসন ভিত্তিক দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে- এমনটাই শোনা যাচ্ছে। সেই আশায় ঢাকায় অবস্থান করছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন বর্তমান এমপিসহ ২২৫ জন। দলটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে বলে জানা যায়। গত দু’দিন ধরে চট্টগ্রামের কয়েকটি আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীতা নিয়ে বেশ গুঞ্জন চলছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অমুক আসনে অমুক প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন- কর্মী সমর্থকদের এরকম প্রচার-প্রচারণায় অপর প্রার্থীর সমর্থকরা যেন হতাশ হয়ে পড়ছেন। আবার কিছুক্ষণ পর তারাও পাল্টা পোস্ট দিচ্ছেন। এসব গুঞ্জনের ফলে কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে চরম অস্থিরতা।

এবার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে যেমন প্রবীণ রাজনীতিবিদ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন একেবারে নতুন মুখও। রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন এমপি-মন্ত্রীর সন্তান, যুবনেতা, নারীনেত্রী, শিল্পপতি এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে। এ আসনে এবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ২৬ জন। এখানে প্রার্থী যেমন বেশি, তেমনি রয়েছেন বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটও। সবচেয়ে কম প্রার্থী তিনটি আসনে। সেগুলো হলো চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান), চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ও চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী)।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে ৯ জন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে ২৫ জন, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে ১৭ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে ১১ জন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে ৪ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসন থেকে ৪ জন, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসন থেকে ১৭ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসন থেকে ২৬ জন, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে ১৫ জন, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে ১৭ জন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে ৯ জন, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসন থেকে ৪ জন, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসন থেকে ২৩ জন, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে ১৮ জন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে ১৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

সূত্র : দৈনিক আজাদী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*