
নিউজ ডেক্স : সাতকানিয়ায় পাষণ্ড স্বামীর দায়ের কোপে প্রাণ হারিয়েছেন স্ত্রী। পাষাণ এই ব্যক্তি স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ আবদুর রহিম (৪৫) নামের ওই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। উপজেলার উত্তর ঢেমশা এলাকায় ভাড়া বাসায় নুসরাত শারমিন রিনাকে (৩০) কুপিয়ে আহত করা হয়। এলাকার স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় নুসরাত শারমিন রিনাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতকানিয়ার কেরানীহাট আশশেফা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাতে চমেক হাসপাতালে পৌঁছার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ঢেমশা ইউনিয়নের উত্তর ঢেমশা ফকির পাড়ার ডা নুরুল আমিনের বাড়ির মৃত রমজু মিয়ার পুত্র পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহিম স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঢেমশা সড়কে জনৈক নাছির উদ্দিনের ভাড়া বাসায় থাকেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রহিম তার স্ত্রীর মাথায় এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। এরই মধ্যে রহিম ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুই সন্তানকে বোনের বাড়িতে রেখে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, নুসরাত শারমিন রিনাকে মাথায় এলোপাতাড়িভাবে কোপানো হয়েছে। চমেক হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মূলত হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।
সাতকানিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর দায়ের কোপে নুসরাত শারমিন রিনা মারা গেছেন। সন্ধ্যায় ঘটনার পর স্বামী আবদুর রহিম ৯৯৯ এ ফোন করে বিস্তারিত জানান। পরবর্তীতে বাসায় তালা লাগিয়ে দিয়ে তার দুই সন্তানকে বোনের বাসায় রেখে পালানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। রহিম পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। কালের কন্ঠ
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner