চোর চক্রের মূল টার্গেট চার চাকার গাড়ি

car-696x385

নিউজ ডেক্স : চোর চক্রের মূল টার্গেট চার চাকার গাড়ি। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে এ ধরনের পেশাদার গাড়িচোর চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল শনিবার ভোরে চারজনকে আটক করা হয়। আটক চোরদের কাছ থেকে তিনটি চোরাই প্রাইভেট কার এবং পাঁচটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। আটক চারজন হলেন, ইউসুফ প্রকাশ ইছহাক (৬০), লিটন সেন (৩৪), হায়দার আলী প্রকাশ মঞ্জু (৩৪) এবং নূরুল আলম (২৩)। অভিযানে নেতৃত্ব দানকারী নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ–কমিশনার (এডিসি–পশ্চিম) এ এ এম হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, গাড়ি চুরির একটি অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে আমরা এই চোর চক্রের সন্ধান পাই। শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করেছি। এই চোর চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত আছেন, তাদেরকে গ্রেফতার করতে আমরা কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার চারজন গাড়ি চুরির পর ওই গাড়ির ইঞ্জিন ও চেসিস নাম্বার পরিবর্তন করেন। পরে ওই গাড়ি বিক্রি করে নিজেরা টাকা ভাগাভাগি করে নেন।

গোয়েন্দা পরিদর্শক প্রিটন সরকার বলেন, আটককৃতদের মধ্যে ইউসুফ প্রকাশ ইছহাক ও লিটন সেনের বাড়ি ফটিকছড়ি। গাড়ি চুরির পর প্রথমে নেওয়া হয় ইউসুফের গ্যারেজে। সেখানে চেসিস নম্বর পরিবর্তন করেন লিটন। এরপর গাড়িটি বিক্রি করা হয়। চক্রের সবাই মিলে টাকা ভাগ করে নেন। হায়দার আলী প্রকাশ মঞ্জু নগরীর হালিশহর এলাকায় থাকেন। আগে মোটর সাইকেল চুরি করতেন। এখন শুধু চার চাকার গাড়িই চুরি করেন। ঢাকা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ চার চাকার গাড়ি চুরি করে আনেন হায়দারসহ চক্রের কয়েকজন সদস্য। নূরুল আলম কক্সবাজার এলাকায় চার চাকার গাড়ি চুরি করেন। কক্সবাজারে তার দলনেতা হিসেবে কাজ করেন সালাহউদ্দিন নামে এক দুর্ধর্ষ চোর। তবে সালাহউদ্দিনকে কক্সবাজারে অভিযান চালিয়েও পুলিশ আটক করতে পারেনি। তিনি আরো জানান, মূল সিন্ডিকেটে ১৫ থেকে ২০ জন আছে। আমরা ১১ জনের নাম–ঠিকানা পেয়েছি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। -আজাদী