Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি যেকোনো সময়, থাকতে পারে চমক

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি যেকোনো সময়, থাকতে পারে চমক

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : যেকোনো সময় কেন্দ্র থেকে ঘোষণা হতে পারে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ইতোমধ্যে তিনটি কমিটির তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে বলে কেন্দ্রীয় শীর্ষ এক নেতা জানিয়েছেন। কেন্দ্র থেকে ঘোষিত নতুন কমিটি হতে পারে নগর আওয়ামী লীগের জন্য নতুন চমক। হয়তো এই চমকের জন্যই অপেক্ষা করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় করা হবে বলে জানান ওই নেতা।

অন্য একটি সূত্র জানায়, এক সময়ের বাকশালপন্থী একটি গ্রুপও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য কেন্দ্রে একটি তালিকা পাঠিয়েছেন। তবে কেন্দ্র থেকে নতুন কমিটি হওয়ার কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘদিনের পদবঞ্চিত নেতাদের পাশাপাশি বর্তমান কমিটির অপেক্ষাকৃত তরুণরাও কমিটিতে পদ পেতে জোর তদ্বির চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সভাপতি ও আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্রে থেকে ৭১ সদস্যের চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে এই কমিটির ৮ বছর চলছে। তিন বছরের এই কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে ৫ বছর আগে। কেন্দ্র থেকে বারবার সম্মেলনের জন্য তাগাদা দেয়া হলেও নানা গ্রুপিংয়ের কারণে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। এই কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আবারও কেন্দ্র থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিয়ে দিতে পারেন। এখনো পর্যন্ত ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। মাত্র নগরের ছয়টি ওয়ার্ডে নতুন কমিটি হয়েছে। বাকি ৩৫টি ওয়ার্ডে সম্মেলন হয়নি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ড কমিটি ১২ থেকে ১৫ বছর আগের। ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন করা সম্ভব না হওয়ায় মহানগর সম্মেলন করা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছে প্রায় ১৬ মাস। গত বছর জাতীয় সম্মেলনের আগে ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন করতে পারেনি। ফলে মহানগর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিকে জোর দেয় কেন্দ্র। বলা যায়, তাদের বারবার তাগাদা দেয়া হয়েছে। তারপরও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখতে না পেয়ে তৃণমূলে হাতাশা বিরাজ করছে।

এদিকে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগেরও সর্বশেষ কমিটি হয়েছিল ২০১৩ সালে সমঝোতার ভিত্তিতে। কমিটিতে মোছলেম উদ্দিন আহমদকে সভাপতি ও মফিজুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলেও তা গত ৮ বছর ধরে চলছে। দৈনিক আজাদী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!